1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
মঞ্চ থেকে টেলিভিশনে: ২৫ বছরের অভিনয় জীবনের আলোচিত মুখ রাজা হাসান তানোর জুড়ে আম–লিচুর সোনালি মুকুলে সুবাসিত গ্রামবাংলা চট্টগ্রামের ম্যাক্স হসপিটালের জি.এম মোঃ ফয়সাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। মাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ত্যাগ সংগ্রাম ও সাহসের অনন্য দৃষ্টান্ত এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুল ইসলামের কন্যা সাদিয়া ইসলাম সুইটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা খামেনিকে কীভাবে হত্যা কিভাবে সুরক্ষিত ভবনে করা হলো? কোনাখালী ৩ ও ৪নং ওয়ার্ডে অর্ধশতাধিক পরিবারকে ইফতার সামগ্রী প্রদান

দুমকি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মাল্টা কাওসারকে নিয়ে শংকিত পাওনাদাররা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ মে, ২০২৪
  • ৪০৪ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধি।

কাওসার আমিন হাওলাদার আসল নাম হলেও দীর্ঘদিন মাল্টায় থাকার কারণে এলাকায় পরিচিতি পেয়েছেন মাল্টা কাওসার নামে। স্বশিক্ষিত এই ব্যক্তি এবার আসন্ন পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করছেন। আর এতেই নতুন করে ভয়ে শঙ্খিত হয়ে পড়েছেন তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অর্থ
আত্মসাতের অভিযোগ করে দায়ের করা মামলার বাদীগণ।

মামলার অভিযোগসমুহ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মাল্টা কাওসার ইউরোপের দেশে মাল্টায় লোক নেয়ার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে টাকা নিয়ে বিদেশ না পাঠিয়ে বরং আর্থিক প্রভাব খাটিয়ে অভিযুক্তদের হয়রানি করেছেন।

এমনই একজন দুমকীর শ্রীরামপুর ইউনিয়নের চরবয়ড়ার আবুল কাশেমের ছেলে কামাল হোসেন। যিনি ২০২৩ সালের ০১ জানুয়ারি বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদলতে সি আর মামলা করেন যার নম্বর ১৫/২০২৩। অভিযোগপত্রে কামাল হোসেন উল্লেখ করেন, কাওসার আমিনকে তাকে মাল্টা নেয়ার জন্য ১২ লক্ষ টাকা দাবী করলে নানা বাড়ির ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি বিক্রি করে ১০/০২/২০২১ তারিখে ৬ লক্ষ টাকা ও পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদান করেন। টাকা নেয়ার সময় আগামী ছয় মাসের মধ্যে মাল্টা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও করেননি। পরবর্তীতে কাওসার আমিন দেশে আসলে ১২/০১/২০২৩ তারিখে তার বাড়িতে গিয়ে টাকা ফেরত চাইলে বাদীকে টাকা না দিয়ে উল্টো খুন জখমের হুমকি দেয়। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগের সত্যতা পাননি মর্মে আদালতে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ প্রসঙ্গে কামাল হোসেন বলেন, গরীব মানুষ মামলা নিয়ে আর কী বলব। এখন টাকাতো দূরের কথা আমার পাসপোর্টই ফেরত দেয়না। অথচ বিশ্বাস করে ওর হাতে নগদ টাকা দেই। আমার জোর জনতা নাই। সফিকের (অন্য এক মামলার বাদীর আসামি) এতো ক্ষমতা, ওরে পযর্ন্ত জেল খাটালো। হ্যার যে পরিমান লোকজন, হ্যাগো সামনে কথা বলাইতো কষ্টকর। হে এ্যাহন মাইনসের কাছে বলে আমার নাকি কোনো পাসপোর্টই নাই। হে আমারে চেনেই না। এখন চেয়্যারম্যান হলে আগামীর পরিস্থিতি ভেবে শংঙ্খিত কামাল হোসেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com