1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

৩৫০ সিসির মোটরসাইকেল ৩০ কি:মি গতিতে চালানো কঠিন: ডিএমপি কমিশনার-হাবিব

নিরেন দাস(বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান)রাজশাহী:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ মে, ২০২৪
  • ২৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিরেন দাস(বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান)রাজশাহী:

রাজধানীতে ৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল ৩০ কিলোমিটার গতিসীমার মধ্যে চালানো অনেক কঠিন, এটি মহাসড়কে চালানো যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ ডিপার্টমেন্টের আইকন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব।

মঙ্গলবার (১৪ মে) দুপুরে তেজগাঁওয়ে আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ‘ট্রাফিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অ্যান্ড রোড সেফটি স্লোগান কন্টেস্ট-২০২৪’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ও জাপান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার (জাইকা) উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে ঢাকা রোড ট্রাফিক সেফটি প্রজেক্ট (ডিআরএসপি)।

একদিকে ৩৫০ সিসি মোটরসাইকেল অনুমোদন হচ্ছে, অন্যদিকে সড়কে চলাচলে গতিসীমা নির্ধারণ করা হচ্ছে ৩০ কিলোমিটার, তবে সড়কে চলতে গিয়ে এই গতিতে গাড়ি খেই হারিয়ে ফেলবে।

এটা সাংঘর্ষিক নয় কি? আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, দুটি কথাই ঠিক। গতিসীমার কথা বলেছে, সেটিও ঠিক আবার সিসির বিষয়টিও ঠিক।

যে আইনটি প্রচলিত রয়েছে সেটি বিআরটিএ’র মাধ্যমে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় করে থাকে। আর মোটরসাইকেল এর বিষয়টি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে হয়।

আমাদের রাজধানীতে এরকম সিসি মোটরসাইকেল ৩০ কিলোমিটার গতিসীসার মধ্যে চালানো অনেক কঠিন। হয়তো বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দিয়েছে, সেটি দেখতে চাই হাইওয়েতে, কারণ এই নির্দেশনা মতে রাজধানীতে চালানো কঠিন। তিনি বলেন, অন্যান্য দেশেও যদি আমরা দেখি তবে সেখানে গতিসীমা কম, সেই তুলনায় আমাদের ঢাকা শহরে গতিসীমা অনেক বেশি।

ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এআই বেজ রোবটিক সিস্টেম চালু করা যায় কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এআই বেজ ট্রাফিক সিস্টেম চালুর বিষয়ে চিন্তা করা হয়েছে। একটি পরিকল্পনাপত্র পুলিশ সদর দপ্তরে রয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকেও চিন্তা চলছে। রাজধানীতে যদি আমরা এটি করতে পারি তবে এআই বেজ সিসি ক্যামেরার ওপর ভিত্তি করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালা করতে সক্ষম হব।

সড়কের পাশে যত্রতত্র গাড়ির অবৈধ পার্কিং করে রাখা হয়। এজন্য সড়কে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে, এ বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা ডিএমপি নিচ্ছে কি না—এক শিক্ষার্থী করা প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়। সেখানে রাজউকের কিছু শর্ত থাকে। যেমন, কতটুকু জায়গা ছাড়া হবে, পার্কিং লট রাখাসহ নানা শর্ত থাকে। কিন্তু দেখা যায় অধিকাংশ সেগুলো মানছে না। এদিকে, আমরা নিজেরাও অনেক অসচেতন, যতটুকু আইন রয়েছে ততটুকু আমরা মানছি না। ভবন মালিক, নির্মাণ প্রতিষ্ঠান, আমরা কেউই আইন ঠিকমতো মানছি না। সকলের সচেতন হওয়ার দরকার রয়েছে। একটি ভবন নির্মাণ করলে সেখানে পার্কিং রাখা অবশ্যই প্রয়োজন। নিজের গাড়ি ও মেহমানের গাড়িটিও যাতে পার্কিং করে রাখা যায়। এতে সড়কে আর অবৈধ পার্কিং করার প্রয়োজন হয় না। সড়কের পাশে অবৈধ পার্কিংয়ের বিষয়ে আমামাদের ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত কাজ করছে।

ডিএমপি কমিশনার হাবিব আরও বলেন, বাংলাদেশে যে পরিমাণ লোকসংখ্যা, সে অনুযায়ী সড়কে পথচারী ও গাড়ির চাপে মানুষের চাপা পড়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ঢাকা সোনারগাঁও ক্রসিং যদি ধরি, সেখানে ৩ লাখ লোক প্রতিদিন সড়ক পাড়াপাড় হয়। যদিও সেখানে আন্ডারপাস, ফুটওভার ব্রিজ বা অন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। সুতরাং বিশ্বের বিভিন্ন শহরের তুলানায় ঢাকার চিত্র অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি আমাদের শহর ভালো চলছে আবার অন্যান্য দেশের শহরের তুলনায় আমরা এগিয়ে রয়েছি এটাও সত্য।

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, এটাও সত্য যে রাজধানীতে ১৯১টি ক্রসিং রয়েছে। এর মধ্যে একটি ক্রসিংয়ে একটি সিগন্যাল বাতি রয়েছে, সেটি হলো গুলশান ক্রসিং। কিন্তু সিগন্যাল বাতি স্থাপন বা লাগানোর বিষয়টি সিটি কর্পোরেশনের। এটি ট্রাফিকের আওতায় নয়। সড়কে শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দায়ভার কতটুকু, সেটিও আপনাদের জানা দরকার। সড়কের যানজট ও শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চারটি সংস্থা কাজ করে। এরমধ্যে চার ভাগের এক ভাগের অর্ধেক নিয়ন্ত্রণ করে ট্রাফিক পুলিশ। শুধু আইন প্রয়োগের কাজটি করা হয়।

তিনি বলেন, শীত, গরম, বর্ষায় সব সময় ট্রাফিক পুলিশকে সড়কে পাওয়া যায়। এটাই বাস্তবতা। এবার রমজানে আমাদের ট্রাফিক পুলিশের প্রচেষ্টায় প্রায় সবাই বাসায় গিয়ে ইফতার করতে পেরেছেন। আমাকে মন্ত্রী মহোদয় জিজ্ঞেস করেছিলেন, রমজান মাসে এত যানজট কেন হয়? আমি তাকে বললাম, রমজান মাসে সবাই একসঙ্গে সড়কে বের হন, কারণ সবাই বাসায় গিয়ে ইফতার করতে চান। আর অন্য সময় কর্মজীবীরা বিভিন্ন সময় বের হন। তাই রমজান মাসে সবাই একত্রে বের হয় বলেই সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

ডিএমপি কমিশনার হাবিব বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কেবল পুলিশের দ্বারা সম্ভব নয়, কেবল সিটি কর্পোরেশনের দ্বারা সম্ভব নয়, কেবল পরিবহন মালিক-চালকদের দিয়ে সম্ভব নয়। সকলের আন্তরিক হতে হবে, সকলকেই নিয়ম মানতে হবে। তাহলে সকলের সহযোগিতায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানো বা নিশ্চিত করা সম্ভব।

ফুটপাত দখলমুক্ত করার বিষয়ে ডিএমপি কমিশনার হাবিব বলেন, সড়কের যানজট নিয়ন্ত্রণ করতে আমরা কিন্তু ফুটপাত থেকে হকার তুলে দিচ্ছি। এরজন্য অনেকের ফোন পাই, তারা বলে আপনার কি একটুকুও দয়ামায়া নেই! এটাও কিন্তু বাস্তবতা। তাদের রাখলে সড়কে শৃঙ্খলা থাকছে না, আবার নির্দয়ভাবে তাদের তুলে দিতে হচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শেষে ‘ট্রাফিক সেফটি অ্যাওয়ারনেস প্রোগ্রাম অ্যান্ড রোড সেফটি স্লোগান কন্টেস্ট-২০২৪’ এর শুভ উদ্ভোধন করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com