1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১ লাখ ৮০ হাজার কৃষক

মোহাম্মদ জামশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম)
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ জামশেদুল ইসলাম (চট্টগ্রাম)

আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রাস্ত ১ লাখ ৮০ হাজার কৃষক। ফলন আসার আগ মুহূর্তে নষ্ট হয়ে গেছে আমন ধান। ফলে বর্তমানে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এলাকায় শতকরা ক্ষতির হার ১৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ বলছে চট্টগ্রাম অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
সম্প্রতি অতি মাত্রায় টানা বৃষ্টি, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের মিরসরাই, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাউজান, সীতাকুণ্ড ও দক্ষিণের বাশঁখালী (পশ্চিম অংশ) পেকুয়া, চকরিয়াসহ বিভিন্ন উপজেলার প্লাবিত হয় কৃষকদের ঘাম ঝরানো ফসল। এর মধ্যে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফটিকছড়ি ও পেকুয়া উপজেলা।সংস্থাটি বলছে, আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে প্লাবিত হয়েছে বীজতলায় থাকা অবস্থায় ২ হাজার ২৯০ হেক্টর আমন। এছাড়াও, ৯ হাজার ৬১৬ হেক্টর আবাদকৃত আউশ, ২ হাজার ৭৪৯ হেক্টর শাঁক-সবজি এবং ফলবাগান, আদা, হলুদ, আখ, পানসহ মোট ৭১ হাজার ৬৫৩ হেক্টর জমি। এর মধ্যে প্লাবিত জমির থেকে পানি নামার পর ক্ষতির অংক দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৬৩৮ হেক্টর। ফলে ৪শ ৩৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা ফসল নষ্ট হয়েছে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার বিভিন্ন এলাকায়।উপজেলাভিত্তিক তথ্যে বলা হয়েছে, গত ১০ দিনে ফটিকছড়ি উপজেলায় জমি প্লাবিত হয়েছে ২০ হাজার ৬১১ হেক্টর এবং কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় প্লাবিত হয়েছে ৩ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমি। দুই উপজেলায় সর্বাধিক প্লাবিত হয়েছে আবাদকৃত আমনের জমি। সর্বমোট ২১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমি বর্তমানে পানির নিচে। এছাড়াও বিচতলায় থাকাকালীন আমনের সর্বাধিক ক্ষতি হয়েছে মিরশরাই ও চকরিয়া উপজেলায়। দুই উপজেলায় মোট প্লাবিত হয়েছে মোট ১ হাজার ১১৫ হেক্টর ।ইতোমধ্যে দুই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তারা তৈরি করছে ক্ষতিগ্রাস্থ কৃষকদের তালিকা। চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘ফটিকছড়ি উপজেলায় গত দুই সপ্তাহ যাবত টানা বৃষ্টিপাত হয়। পরে গত সপ্তাহের বুধবার ফটিকছড়ির হালদা ও ফেনী নদীর পানি বাড়তে থাকে। ফলে এই উপজেলায় অনেক কৃষক সর্বস্বান্ত হয়েছে। এই উপজেলায় শরৎকালীন সবজি প্লাবিত হয়ছে ৪২৫ হেক্টর। আমরা তালিকা করে ক্ষতি পূরণের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর কাজ চলছে।এদিকে, গত ১০ দিনে পাহাড়ি ঢলের কারণে প্লাবিত হয়েছে পেকুয়া উপজেলার চার ইউনিয়ন। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলার ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী অফিসার নুর পেয়ারা বেগম বলেন, রাজাখালী, টৈটং, বারবাকিয়া ও শিলখালী ইউনিয়ন ফসলী জমির পরিমাণ বেশি থাকায় জমির ফসল ভেসে গেছে।কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আবদুচ ছোবহান সময়ের কাগজ-কে বলেন, ১০ দিনে চট্টগ্রাম অঞ্চলের দুই জেলায় ব্যাপক মাত্রায় ক্ষতি হয়েছে। বীজতলা থেকে শুরু করে আবাদকৃত আমন বন্যায় নষ্ট হয়েছে। ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিতের পর কৃষকদের জন্য প্রনোদনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে বীজ কোনো কোনো এলাকায় কাজে আসবে না। বন্যার পানি নামতে আরও চার থেকে পাঁচ দিন সময় লাগতে পারে। এই মুহূর্তে বন্যাকবলিত এলাকায় বীজতলা তৈরি করে আমনের চারা সরবরাহ করা কষ্টসাধ্য হবে। ফলে বীজতলা তৈরির জায়গা নেই। তাই আশপাশের এলাকায় বীজতলা তৈরি করে চারা আকারে বন্যাদুর্গত এলাকায় সরবরাহ করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com