1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:০৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,মাদক ও নগদ অর্থ সহ নরসিংদীর শিবপুরে সাত জনকে গ্রেফতার উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

সিলেট নগরীতে কাজে লাগছে না ফুটওভার ব্রিজ !! অযথা ব্যয় ৫ কোটি ৬৪ লাখ

সিলেট প্রতিনিধি :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ২৩২ বার পড়া হয়েছে
সিলেট প্রতিনিধি :
সিলেট নগরীতে নির্মিত ৫ কোটি ৬৪ লাখা ব্যয়ে নির্মিত ফুটওভার ব্রিজ লাগছে না কোন কাজে। ফুটওভার ব্রিজের ওপরে বাসা বেধেছে কুকুর ও টুকাইরা। দিন রাত চলে নেশা, এক শ্রেণীর নেশাকারী ও ছিনাতাইকারীরা নিরাপদ রোড হিসেবে ব্যবহার কাছে। নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় ছিনতাইকারী ও পকেট চোরেরা অপকর্ম করে দ্রুত রাস্তার ওই পাশ থেকে অন্যপাশে নিরাপদে ফুট ওভার দিয়ে। এত টাকা ব্যয় করে ব্রিজ পথচারীরা ব্যবহার না করায় কোটি কোটি টাকার চার ফুটওভার ব্রিজ এখন এক প্রকার পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। শুধু তাই নয় এসব ব্রিজ এখন ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা মালামাল রাখার জায়গায় পরিণত করে রেখেছেন। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত প্রকল্প গ্রহণে দুরদর্শিতার অভাব আর সঠিক পরিকল্পনা না থাকায় ফুট ওভারব্রিজ দিয়ে যাতায়াতের প্রয়োজন অনুভব করছেন না জনসাধারণ। শুধু-শুধু টাকার অপচয় ছাড়া আর কোন সুফল জনসাধারণ  ভোগ করতে পারেন নি। ফুট ওভারব্রিজ স্থাপনের কিছুদিন পর থেকেই এসবের উপকারিতা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা ও সমালোচনা।
সিসিক প্রকৌশল বিভাগ জানায়, আওয়ামী লীগের সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিতের আগ্রহে ১  কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০১৬ সালে বন্দরবাজার কোর্ট পয়েন্টে ওভারব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। এরপর প্রায় ৯ বছর অতিবাহিত হলেও ব্রিজ দিয়ে চলাচলে জনসাধারণের কোন আগ্রহ সৃষ্টি হয়নি।
২০২১ সালে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে টিলাগড়ে নির্মাণ করা হয় আরেকটি ফুট ওভারব্রিজ। ২০২২ সালে কদমতলীর হুমায়ুন রশীদ চত্বরের পাশে নির্মিত হয় আরেকটি ব্রিজ। এটিও জনসাধারণের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারেনি। এ অবস্থায় ২০২৩ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালিন ভিসির আবেদনের প্রেক্ষিতে ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপদ রাস্তা পারাপারের কথা চিন্তা করে শাবি গেইটে নির্মাণ করা হয় ফুট ওভারব্রিজ।
সিসিক’র প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান জানান, কোর্ট পয়েন্টে ওভার ব্রিজ ছাড়াও আরও তিনটি ওভারব্রিজ নির্মিত হয়। এই তিনটি ব্রিজে ব্যয় হয় ৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা। এগুলোর ব্যয়ের আলাদা আলাদা কোন হিসেব তিনি দিতে পারেননি। তাছাড়া ৪টি ওভারব্রিজ পরিচর্যা ও সংস্কারের কোন ব্যয় নেই। বন্দর ওভার ব্রিজের নিচে কথা হয় সিসিকের শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা অনিল কুমার মজুমদারের সাথে। একজন পথচারী হিসাবে তিনি বলেন, সচেতন নাগরিক সমাজ গঠন না করে এসব প্রকল্প থেকে আশানুরূপ সাফল্য অর্জন না হওয়াই স্বাভাবিক। তাছাড়া এমন হতে পারে ওভার ব্রিজগুলোতে প্রকৌশলগত গঠন পদ্ধতি বিশেষ করে বৃদ্ধ, মহিলা, কিংবা শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের চলাচলের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সুবিধা না রাখায় ব্রিজ দিয়ে চলাচলে আগ্রহ  নেই। তবে যেটুকু হয়েছে এর সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন, আইন প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে উদ্যোগী হওয়া।

এখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা যেতে পারে। অনেকাংশে ফুটওভার ব্রিজ দিয়ে রাস্তা পারাপারের জন্য  বেশি সময় হয় বলে অনেক নাগরিক তা ব্যবহার করেন না। বন্দর ফুট ওভার ব্রিজের নিচ দিয়ে জনসাধারণ পারাপারে বিধি নিষেধের ব্যবস্থা করে সচেতনতা গড়ে তুলা যেতে পারে।
অনন্য ওভার ব্রিজগুলোর সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি বলেন সব গুলোই প্রয়োজন বোধ করে তৈরি করা হলেও এক্ষেত্রে উপযোগীতার ব্যাপারে আরো যাচাই করে এই ব্রিজগুলো তৈরি করলে হয়তো ব্যাপারটা অন্যরকম হতো। সরেজমিনে নগরীর চারটি অভারব্রিজ ঘুওে দেখা যায়, রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে পথচারীরা সেগুলো ব্যবহার করছেন না। রাস্তা পার হওয়া পথচারীদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে অনেকেই এড়িয়ে গেছেন। কেউ বলেন এগুলোর দরকার নেই, কেউ বলেছেন এগুলো হর্তাকর্তাদের পকেট ভারি করার প্রকল্প।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com