1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সম্মানে প্রাণের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মঞ্চ থেকে টেলিভিশনে: ২৫ বছরের অভিনয় জীবনের আলোচিত মুখ রাজা হাসান তানোর জুড়ে আম–লিচুর সোনালি মুকুলে সুবাসিত গ্রামবাংলা চট্টগ্রামের ম্যাক্স হসপিটালের জি.এম মোঃ ফয়সাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। মাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ত্যাগ সংগ্রাম ও সাহসের অনন্য দৃষ্টান্ত এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন সিনিয়র রিপোর্টার সাইফুল ইসলামের কন্যা সাদিয়া ইসলাম সুইটির উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি দুর্নীতির চিত্র 

মোঃ নাসিরউদ্দিন রাজশাহী জেলা 
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাসিরউদ্দিন রাজশাহী জেলা

প্রতিনিধি : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের দরজা পেরোতেই শুরু হয় ভোগান্তি আর অনিয়মের পালা। সাধারণ মানুষ যেখানে চিকিৎসা পেতে আসে, সেখানে তারা পড়ে এক জটিল দুষ্টচক্রের মধ্যে। জরুরি বিভাগে প্রবেশের প্রথম ধাপ: টিকেট ও ওয়ার্ডে স্থানান্তর রোগী নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ১০ টাকার টিকেট নিতে হয়। ভর্তি হলে ২০ টাকার টিকেট নিতে হয়, যদিও লিখিত মূল্য ১৫ টাকা।

রোগীকে ওয়ার্ডে নেওয়ার জন্য হুইলচেয়ার ব্যবহার করলে ১০০ টাকা, আর যদি ট্রলির প্রয়োজন হয়, তবে ২০০ টাকা দিতে হয়।ওয়ার্ডে প্রবেশের সময় রোগীর সঙ্গে একজনের বেশি থাকলে, অতিরিক্ত প্রতিজনের জন্য ২০ টাকা দিতে হয়।বেডের ব্যবস্থা করতে হলে ৫০ টাকা দিতে হয়, নাহলে রোগীকে মাটিতেই থাকতে হবে।চিকিৎসা শুরুর আগে একগাদা পরীক্ষা আর ব্যায় ডাক্তার এসে রোগী দেখার পরপরই শুরু হয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপ। প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ৪টি পরীক্ষা, ১ বস্তা স্যালাইন ও কিছু ওষুধ কিনতে হয়। পরীক্ষার রিপোর্ট আসা পর্যন্ত স্যালাইন ও ওষুধ চলতেই থাকে। রিপোর্ট পাওয়ার পর আরেকজন ডাক্তার এসে আবার নতুন পরীক্ষা লেখেন।প্রতিদিন নতুন ডাক্তার আসেন এবং নতুন নতুন পরীক্ষা ও ওষুধের লিস্ট দেন।ওয়ার্ড বয় ও দারোয়ানদের অতিরিক্ত বকশিশ রোগীকে পরীক্ষা করাতে নিতে গেলে হুইলচেয়ার ব্যবহার করলে ১০০ টাকা, আর ট্রলিতে নিতে হলে ২০০ টাকা লাগে। রোগীর সঙ্গে দেখা করতে আসলে দারোয়ানকে খুশি করতে হয়, নাহলে ঢুকতে দেওয়া হয় না।অপারেশন হলে দুর্নীতির নতুন অধ্যায় অপারেশনের জন্য ৬০০০-৭০০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়, যা ফেরতযোগ্য নয়।রোগী মারা গেলে সব টাকা ও মানুষ শেষ, অথচ হাসপাতাল দায় নেবে না।

অপারেশন সফল হলেও ওটি বয়, দারোয়ান এবং অন্যান্যদের খুশি করতে হয়।প্রতিদিন ড্রেসিং করতে ওষুধ কিনতে হয় এবং ওয়ার্ড বয়কে আলাদাভাবে টাকা দিতে হয়।রিলিজ পেতে আরও টাকা খরচ রোগী সুস্থ হয়ে রিলিজ নিতে গেলে নার্স, দারোয়ান, ওয়ার্ড বয় সবাইকে খুশি করতে হয়।সব টাকা শেষ করে রোগী হাসপাতাল থেকে বের হয় লেংটা অবস্থায়, আর বাইরে গিয়ে দেখে, হাসপাতালের সামনে বড় ব্যানারে লেখা— “আমি ও আমরা সবাই।এই অনিয়মের প্রতিকার কোথায়?এই ভয়াবহ অনিয়ম কি কারও চোখে পড়ে না? সাধারণ মানুষের শেষ ভরসা হাসপাতাল, অথচ সেখানে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? আমরা জবাব চাই?

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com