1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রাম সমিতি’র নতুন কমিটি: সভাপতি আমিনুল সম্পাদক সালাহ উদ্দিন কালীগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সম্মানে প্রাণের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মঞ্চ থেকে টেলিভিশনে: ২৫ বছরের অভিনয় জীবনের আলোচিত মুখ রাজা হাসান তানোর জুড়ে আম–লিচুর সোনালি মুকুলে সুবাসিত গ্রামবাংলা চট্টগ্রামের ম্যাক্স হসপিটালের জি.এম মোঃ ফয়সাল উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। মাদক শান্তি দেয় না, পরিবারকে তছনছ করে ফেলে-এমপি ফজলুল হক মিলন আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় জিডি ত্যাগ সংগ্রাম ও সাহসের অনন্য দৃষ্টান্ত এডভোকেট কানিজ কাউসার চৌধুরী শান্তি ও নিরাপদে থাকার জন্য জনগণ বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন— এমপি আলহাজ্ব একেএম ফজলুল হক মিলন

তানোর বিএনপির পাঁচন্দর সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হলেও আসামা হলে আসামি গ্রেফতার হয়নি

মোঃ নাসির উদ্দিন রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ মার্চ, ২০২৫
  • ২০৭ বার পড়া হয়েছে

মোঃ নাসির উদ্দিন রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

রাজশাহীর তানোর পাঁচন্দর ইউনিয়নে সংঘটিত সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় তানোর সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান ও পাঁচন্দর ইউনিয়ন সভাপতি প্রভাষক মজিবুর রহমানসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে। মেজর জেনারেল শরীফকে ইফতার মাহফিলে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য পাঁচন্দর ইউনিয়ন সভাপতি প্রভাষক মজিবুর রহমান, পাঁচন্দর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোমিন এবং মর্তুজা উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ করেই সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে সাবেক চেয়ারম্যান মোমিন ও তার সহযোগীরা মর্তুজাকে মারধর করলে মজিবুর রহমান এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তখন মোমিন তার গলা চেপে ধরেন এবং তার ভাই গনিউলসহ সহযোগীরা মজিবুর রহমানকে মারধর শুরু করে। একপর্যায়ে মজিবুর রহমান পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সংঘর্ষের এক পর্যায়ে স্থানীয় জনগণ উত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং মোমিন ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়। এতে মোমিনের ভাই গনিউল গুরুতর আহত হয়ে রাস্তার পাশে পড়ে থাকেন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পূর্ববর্তী হাসিনা সরকারের সময় সাবেক চেয়ারম্যান মোমিনের এমপি ফারুক চৌধুরীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ জমে ছিল। এ ঘটনার সময় সেই ক্ষোভ প্রকাশ পায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষ ও গণপিটুনির ঘটনায় মজিবুর রহমানসহ ৩৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে যে, এ মামলায় অনেকেই সম্পৃক্ত না থাকলেও তাদের নাম এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রভাষক মজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তিনি সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে নিজেই হামলার শিকার হন এবং প্রাণ বাঁচাতে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আসামি গ্রেফতার হয়েছে কম।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com