1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

খরুলিয়া নয়াপাড়ার বহু মামলার আসামি শীর্ষ ইয়াবা ডন বাদশা অধরা

মোঃ কায়সার রামু প্রতিনিধি।
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

মোঃ কায়সার রামু প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের সদর উপজেলার খরুলিয়া শীর্ষ ইয়াবা ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত নয়াপাড়া এলাকার আব্দুল খালেকের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম বাদশা। 
স্থানীয়দের প্রশ্ন,তার হঠাৎ পরিবর্তন যেন আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার মত। অবৈধ পথে ইনকাম করে সে এখন কোটিপতি। খরুলিয়ার নয়াপাড়া এলাকায় তার চলাফেরা অসামাজিক পর্যায়ে চলে গেছে,অথচ প্রশাসন নিশ্চুপ।

গোপনসূত্রে জানা যায়,গত ২০২২ সালের ১৬ জুন দিলদার বেগমকে মনোমালিন্যের জেরে হত্যার উদ্দেশ্য মারধর করেন বাদশা ও সন্ত্রাসী বাহিনী,এই ঘটনায় ভুক্তভোগী দিলদার বেগম,বাদশাসহ ৬ জনকে আসামি করে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ভূক্তভোগী দিলদার বেগম। এই মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম বাদশা,যার মামলা নং ৩৯-৩৯৪।

কিন্তু এই মামলায় বাদশা নিজে জেল না খেটে বাদশার আইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন করে মোটা অংকের টাকা দিয়ে অন্যজনকে জেল খাটিয়েছেন। সে আদালতের সাথে প্রতারণা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এই প্রতারণার কাজে বাদশাকে সহযোগীতা করেছেন যৌথ আইনজীবী ও সহকারী আইনজীবী,এছাড়াও টাকা দিয়ে একাধিক মাদক মামলার চার্জশিট থেকে তাকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ
রয়েছে। জাহাঙ্গীর আলম বাদশার বিরুদ্ধে,এছাড়াও তার মুরগির খামারে চাকরি দেওয়ার কথা বলে চাকমারকুল আব্দু শুক্কুর নামের এক ব্যক্তিকে এক বস্তা ইয়াবা রাখতে দিয়েছিলেন বাদশা,সেই আব্দু শুক্কুর ইয়াবা রাখতে পারবে না বললে হাত পা রশি দিয়ে বেধে নির্যাতন করেন,এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আব্দু শুক্কুর থানায় গিয়ে মামলা করেন,সেই মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এবং সহযোগী রহমত উল্লাহ,তবে খরুলিয়া নয়াপাড়া এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি,জাহাঙ্গীর আলম বাদশার হামলায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। গত ২৭ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিকাল ৫টার দিকে চাকমারকুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত আব্দুর রাজ্জাক নিজে রামু থানায় মামলা করেন,সেই মামলায় এখনো গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম বাদশা ও সহযোগী রহমত উল্লাহ,,!

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়,সে ডন স্টাইলে চলাফেরা করে। নিজে ইয়াবার টাকায় তৈরি করেছেন বড় রাজ প্রাসাদ। ব্যবহার করেন ৫ লাখ টাকা দামের ২টি মোটর সাইকেল ও আলিশান বাড়ি। স্থানীয় বড় বড় নেতা ও জন প্রতিনিধি ভয় পান তাকে। সবসময় পকেটে রাখেন অস্ত্র তাই ভয়ে কেউ তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেনা।

উল্লেখ্য যে,মাদকের বিরুদ্ধে ঘোষিত আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সাম্প্রতিক অভিযানে খরুলিয়ার কয়েকজন ইয়াবা ব্যবসায়ী গ্রেফতার হলেও আইনের আওতায় আসেনি অনেক ইয়াবা কারবারি। ধরা ছুঁয়ার বাইরে থেকে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছেন অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী। ইয়াবা সম্রাটদের একের পর এক আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে এখনো কক্সবাজার সদর উপজেলার শীর্ষ ইয়াবা সম্রাট বাদশা বীরদর্পে চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা কার্যক্রম।

সে কতিপয় অসৎ পুলিশকে মাসোহারা দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তাদের অবৈধ কারবার। এমনটাই অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা যায়,কক্সবাজার সদর উপজেলার খরুলিয়ার নয়াপাড়া এলাকার বাদশা একজন ইয়াবা ডন হিসেবে পরিচিতি পেলেও তিনি বরাবরই অধরা রয়ে গেছেন। তালিকার শীর্ষে থাকা অনেক ইয়াবা ডন গ্রেপ্তারের পরও নিজের অবস্থান টিকিয়ে সারাদেশে ইয়াবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। যার ফলে দিন দিন আরো বেপরোয়া হয়ে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে প্রকাশ্যে পাচার করছে কাড়িকাড়ি ইয়াবা।

সূত্রে জানায়,বৃহত্তর খরুলিয়ার ইয়াবার বাজার নিয়ন্ত্রন বাদশার হাতে থাকায় অনেক ইয়াবা ব্যবসায়ী বাদশার কাছ থেকে পাইকারি ও খুচরা ইয়াবা ক্রয় করে। খরুলিয়ায় এ ধরনের প্রায় অর্ধশতাধিক পাইকারি ব্যবসায়ী রয়েছে। তাদের মতে নয়া পাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম প্রকাশ মাদক সম্রাট বাদশা অন্যতম। এছাড়া কয়েকজনের নাম সদর থানায় তালিকাভুক্ত আছে। খরুলিয়ায় গত এক বছরে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেও জানান এলাকাবাসী।

যার ফলে বর্তমানে খরুলিয়ার অলিতে গলিতে ও পাড়া-মহল্লায় হাত বাড়ালে পাওয়া যায় মরণব্যধী ইয়াবা আর ইয়াবা। মাঝে মধ্যে সদর থানা পুলিশ খুচরা ব্যবসায়ীদের ধরে আইনগত ব্যবস্থা নিলেও পাইকারি ব্যবসায়ীরা রয়েছেন অধরা। পুলিশ কিছু কিছু ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ধরে আইনের আওতায় আনলেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের কার্যক্রম যেন দীরগতির।

খরুলিয়ার ইয়াবা ডন বাদশার ইয়াবা ব্যবসা করে গত কয়েক বছরে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। নামে-বেনামে খরুলিয়া এলাকায় জায়গা-জমি কিনে সম্পত্তির মালিক হয়ে গেছেন। অথচ কয়েক বছর আগেও তিনি একটি দোকানের কর্মচারি ছিলেন। এরপর একাধিক মামলা খেয়ে দেউলিয়া হয়েছিলেন। কিন্তু মরণনেশা ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে আজ কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন।

তাদের মতে,কারা ইয়াবা পাচার করে বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক হয়েছে,তাদের সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী,বিশেষ করে র‌্যাব,গোয়েন্দা সংস্থা,জাতীয় রাজস্ব বোর্ড,দুর্নীতি দমন কমিশন সহ সমাজের স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বিত প্রচেষ্টায় বা নজরদারির দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে,আগামী প্রজন্ম খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে পড়বে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

এই বিষয়ে নিউজের জন্য জাহাঙ্গীর আলম বাদশার মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়,হোয়াটসঅ্যাপে এসএমএস দিলেও কোন উত্তর না পেয়ে বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

এই বিষয়ে রামু থানার অফিসার ইনচার্জ ইমন কান্তি চৌধুরী জানান,জাহাঙ্গীর আলম বাদশার অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com