1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

পলাশকে পলাশ ফুলের মতো গড়ে তুলতে  ড. মঈন খানের বিকল্প নেই 

মোঃ মুক্তাদির হোসেন। স্টাফ রিপোর্টার।
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মুক্তাদির হোসেন।
স্টাফ রিপোর্টার।

নরসিংদী-২ পলাশ নির্বাচনীয় এলাকাকে পলাশ ফুলের মতো গড়ে তুলতে  ড. মঈন খানের বিকল্প নেই।  দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে চলা দালাল-চক্রের দৌরাত্ম্য, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের কালো অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে— এমনটাই দাবি করছেন  সাবেক মন্ত্রী ,সংসদ সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবদুল মঈন ও পলাশের স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এছাড়াও পলাশ উপজেলা বিএনপির   নেতৃবৃন্দ বলেন ড. আবদুল মঈন   খানের নির্দেশনায় বর্তমানে পলাশে ফিরেছে শৃঙ্খলা ও শান্তি।  আওয়ামী দোসর ও বিএনপি দালালদের অপপ্রচার

বাহাউদ্দিন ভূঁইয়া মিল্টন, পলাশ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, জানান— অতীতে আওয়ামী লীগের গপন্থী কিছু লোক ও বিএনপির কিছু সুবিধাভোগী দালাল দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে পলাশে লুটপাট চালিয়েছে। তারা মাদক, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাকে কলঙ্কিত করেছে। তবে বর্তমানে ড. মঈন খানের নেতৃত্বে সেই অপশক্তির শিকড় উপড়ে ফেলা হয়েছে।

তিনি বলেন, “যারা চুরি ডাকাতি করতে পারছে না, তারাই আজ মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমাকে এবং বিএনপিকে কলঙ্কিত করতে মিডিয়া ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।” 

মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচারে তীব্র প্রতিবাদ

সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে বাহাউদ্দিন ভুইয়া মিল্টনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে ‘পুরোপুরি বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কোনো চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে আমার জড়িত থাকার প্রমাণ কেউ দিতে পারবে না। পলাশকে শান্তিপূর্ণ রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”মেহের পাড়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ভিপি মনির বলেন, “ড. আবদুল মঈন খান ফেরেশতার মতো একজন রাজনীতিবিদ। তাঁর পাশে যারা কাজ করেন, তারা সবাই জনবান্ধব ও নীতিবান মানুষ। মিল্টন ভাই পলাশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাই পুরাতন চোর-ডাকাতরা এখন অপপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছে।”

সাবেকদের অপকর্মের দায় বর্তমান নেতৃত্ব নিচ্ছে না

স্থানীয় ছাত্র নেতা মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, “সাবেক এমপি পোটন, মেয়র তুষার, মোশাররফ প্রফেসর, মান্নান গংয়ের মতো চিহ্নিত আওয়ামীপন্থি কিছু দালাল পিডিবি-ওয়াসা থেকে শুরু করে সরকারি প্রতিষ্ঠানে লুটপাট করেছে। তারা এখন আর সুযোগ পাচ্ছে না বলে বিএনপির ভালো কাজকে কলুষিত করার চেষ্টা করছে।”

উন্নয়নের পথে পলাশ: মঈন খানের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা

ড. মঈন খানের দূরদর্শী নেতৃত্বে পলাশ এখন ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে। এলাকায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, দখলদারিত্ব, ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ। জননিরাপত্তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন বর্তমান বিএনপি নেতৃত্ব।পলাশের বর্তমান রাজনীতিতে সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ্বে যে উত্তাপ বিরাজ করছে, তা প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার অংশ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। জনসাধারণ চাইছে শান্তি, স্থিতি ও উন্নয়ন। ড. আবদুল মঈন খানের মতো পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতার মাধ্যমে সেই প্রত্যাশা পূরণ হতে পারে— যদি অপপ্রচারের কাঁটাগুলো সরিয়ে সামনে এগোনো যায়।অনুসন্ধানে জানা গেছে পলাশে সার কারখানা সহ বিভিন্ন মিলকারখানা থেকে তামা চুরি করে বিক্রি করতেন মোশারফ প্রফেসর, জুলহাস, গং তাদের সাথে বিএনপির কিছু দালাল জড়িত ছিল এখন চুরি করতে পারে না তাই ফৈসিস্টি মিডিয়া দিয়ে অপপ্রচার করছে ।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com