1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

দিশেহারা লামা-আলীকদমের কৃষকদের, পণ্যের উপর ধার্য টোলের পরিমাণ অনেক বেশি

মোঃ মোরশেদ আলম চৌধুরী
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ মে, ২০২৫
  • ২৪১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মোরশেদ আলম চৌধুরী

একই কৃষিপণ্যের উপর পৃথকভাবে তিন দফা কর বা টোল আরোপ করায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলার কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভার পক্ষ থেকে পৃথকভাবে কর আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। এতে পণ্যের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষক ও সাধারণ ব্যবসায়ী।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে গিয়ে প্রথমে ইউনিয়ন পরিষদ, পরে পৌরসভা কিংবা উপজেলা পরিষদকে পৃথকভাবে টোল দিতে হয়। যদি ওই পণ্য অন্য জেলা বা অঞ্চলে রপ্তানি করতে হয়, সেক্ষেত্রে আবার জেলা পরিষদ টোল আদায় করে।

লামার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের শিলেরতুয়া ও অংহ্লা পাড়ার কৃষক রমজান আলী, ওসমান গনি ও মো. সোহেল বলেন, “একই পণ্যের উপর একাধিক দফা টোল দিতে গিয়ে আমরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। কলা, কাঁঠাল, মরিচ, তামাক এমনকি গরুর উপরেও অতিরিক্ত টোল আদায় করা হচ্ছে।”

আলীকদম উপজেলার চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ব্যবসায়ী মমতাজ মিয়া বলেন, “আমরা ইউনিয়ন পরিষদকে টোল দেয়ার পরও উপজেলা পরিষদের গেটেও ফের টোল দিতে হয়। এরপর পণ্য অন্য জেলায় পাঠালে জেলা পরিষদের টোল দিতে হয়। এভাবে একাধিক দফা টোল দিতে গিয়ে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি।”

কৃষকদের অভিযোগ, পণ্যের উপর ধার্য টোলের পরিমাণও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। তাদের ভাষ্যমতে—

এক ছড়া কলা থেকে ৫ টাকা
প্রতি পিস কাঁঠাল থেকে ৫ টাকা
একটি পাহাড়ি গরু থেকে ৫০০ টাকা
প্রতি মণ মরিচ ও কাঁচা সবজি থেকে ১৫ টাকা
প্রতি মণ তামাক থেকে ৪৫ টাকা করে টোল আদায় করা হচ্ছে।
তাদের দাবি, কৃষিপণ্যের উপর এই ধরনের অতিরিক্ত চাপ “গলা কাটা”র শামিল। তারা বলেন, কৃষিপ্রধান দেশে কৃষকের উপর এ ধরনের জুলুম কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

প্রশাসনিক সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় পার্বত্য তিন জেলা পরিষদকে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের টোল আদায় ও ইজারা প্রদানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে সভায় টোল ও ইজারার আয় বণ্টনের হিস্যাও নির্ধারণ করা হয়। তাতে বলা হয়—

পৌর এলাকার মধ্যে: বাজার ফান্ড ৪০%, পৌরসভা ৪০%, উপজেলা ২০%

পৌর এলাকার বাইরে: জেলা পরিষদ ৫৫%, উপজেলা পরিষদ ৪৫% (উপজেলা অংশ থেকে ইউনিয়ন পরিষদে সমন্বয়ের কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে)।

সম্প্রতি দ্বৈত কর আদায়ের বিষয়টি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নজরে এলে পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই গত ২৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে এক স্মারক (নং ২৯.৩৫.০৩০০.০০৩.৪২.০৫৮.২৫.৭১৯) জারির মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা পরিষদের টোল আদায় কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

এ বিষয়ে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা পরিষদ প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মুমিন বলেন, “জেলা পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ীই টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

অন্যদিকে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন বলেন, “দ্বৈত করের বিষয়ে কেউ এখনো আমাকে অবহিত করেনি। তবে কৃষকদের হয়রানি করা যাবে না, এ বিষয়ে সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com