1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন নিজ অর্থায়নে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা দিয়ে নিজের দোষকে ধামাচাপা দেয়ার পায়তারা।

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ

একদিকে নিজেকে “সততার প্রতীক” বলে প্রচার, অন্যদিকে জুলাই আন্দোলন চলাকালীন  রাজপথে ছাত্র-জনতার বিপক্ষে স্লোগান। এই দ্বিচারিতা নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কে পটুয়াখালীর বর্তমান সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া। ছাত্র জনতার বিপক্ষে মিছিল দেয়ার ভাইরাল ভিডিওতে  তাকে দেখা যায় বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করা। তাকে দেখা গেছে পটুয়াখালীর প্রশাসন আয়োজিত বিভিন্ন ছাত্র জনতার প্রোগ্রামে এবং তিনি এখন চলমান নিয়োগ বোর্ডের সদস্য সচিব।  ৫ই আগস্টের পর পটুয়াখালীতে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার পূর্বে তিনি ঢাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শৃঙ্খলা বিভাগের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।  জন্মসূত্রে ফরিদপুরের বাসিন্দা এই কর্মকর্তা আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি নিক্সন চৌধুরীর ঘনিষ্ঠজন হিসেবে প্রশাসনিক মহলে পরিচিত। দীর্ঘ কর্মজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং দলীয় আনুগত্য নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দীর্ঘদিনের। গত বছর জুলাই-আগষ্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান যখন দেশব্যাপী জোরদার ছিল, তখন একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ডা. খালেদুর রহমান মিয়াকে দেখা যায় সরাসরি ওই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে। আন্দোলন চলাকালীন সর্বশেষ ৩ আগষ্ট একদল কর্মকর্তা ঢাকার রাজপথে নামেন সাধারণ ছাত্রদের বিরুদ্ধে মিছিল করতে।  ওই মিছিলে তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশে বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করেন এবং ছাত্র জনতার বিপক্ষে “এক দফা কবর দে” বলে স্লোগান দিতে দেখা যায় তাকে।  ফ্যাসিবাদী সরকার পতনের কিছুদিন পর ডাঃ খালিদুর রহমান মিয়া সিভিল সার্জন হিসেবে পটুয়াখালীতে যোগ দেন। স্থানীয় ছাত্র জনতার মধ্যে তাকে নিয়ে অনেক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেকে একে তার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা কিংবা সিভিল সার্জন এর অপকৌশল বলে মনে করছেন। চলতি জুলাই মাসে তিনি বিভিন্ন সেমিনার, ইভেন্ট ও সভায় নিজেকে ‘সততা’র প্রতীক ও ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ সহযোদ্ধা হিসেবে প্রচার করে চলেছেন। একদিকে তোষামোদ, অন্যদিকে নিজের অতীত ঢাকার চেষ্টা। তবে এই কৌশল চোখ এড়াচ্ছে না জনসাধারণের। ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে সক্রিয় আন্দোলন করা একজন সরকারি কর্মকর্তা এই জুলাই মাসে আন্দোলন করা ছাত্র জনতা ও শহীদ পরিবারদের নিয়ে সেমিনার ও পুরস্কার দেয়ার কথা ভাবছেন যা নিয়ে পটুয়াখালী সাধারণ জনতার মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।  পটুয়াখালীতে বর্তমানে স্বাস্থ্য সহকারী পদে ১২৪ জনের পুনঃ নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। স্থগিত হওয়া প্রথমবারের নিয়োগের  বিভিন্ন উপজেলার কোঠা গুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই ও সম বণ্টন না করে পূর্বের সিভিল সার্জন এর বৈষম্য নীতি অনুসরণ করে পুনঃ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রচার করেন।  এই বোর্ডে ডা. খালেদুর রহমান মিয়া সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন। সভাপতি হিসেবে রয়েছেন বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক। ছাত্র জনতা ও নাগরিক সমাজের শঙ্কা এই নিয়োগ বোর্ডের নেতৃত্বে থাকা ডা. খালেদুর রহমান মিয়ার অতীত রাজনৈতিক পক্ষপাত ও ছাত্রবিরোধী অবস্থান সুষ্ঠু নিয়োগের পথে অন্তরায় হতে পারে। অভিযোগ উঠছে, নিষিদ্ধ ও বিতর্কিত সংগঠন ছাত্রলীগের সদস্য কিংবা জুলাই আন্দোলনের বিরোধীদের পরিবার থেকে প্রার্থী নির্বাচন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার আশঙ্কা রয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, কোন সরকারি কর্মকর্তা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারেন না, মিছিল বা স্লোগানে অংশগ্রহণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায় তিনি সরাসরি একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ও বিপ্লবী ছাত্র জনতার বিপক্ষে রাজনৈতিক স্লোগান দিচ্ছেন। ভাইরাল ভিডিওটি প্রকাশ হওয়ার পর পটুয়াখালীসহ দেশব্যাপী বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা তার অপসারণ এবং শাস্তির দাবি তুলেছেন। তাদের দাবি এই কর্মকর্তার মাধ্যমে কোনোভাবেই স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা আশা করা যায় না। চাকরি বিধি লংঘন করে একটি রাজনৈতিক মিছিলে অংশগ্রহণ করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন তারা মেনে নিতে পারবেন না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, ঐদিন ছিল ৩ আগস্ট আমার সহকর্মীরা জোর করে ধরে আমাকে মিছিলে নিয়ে যায় তবে তাদেরকে আমি চিনি না। স্বাস্থ্য ডিজি অফিসের সামনেই আমরা মিছিল করেছি। তবে পরবর্তীতে আমার অফিস কলিগদের কে এই ব্যাপারে মৌখিক শেয়ার করেছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com