মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা আমীর জনাব এস এম আবদুচ ছালাম আজাদ ৫ই আগষ্ট ২০২৫,৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রথম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে গণমিছিলোত্তর সমাবেশে উপরোক্ত কথা বলেন, তিনি আরো বলেন মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্টার মাধ্যমে ৩৬ জুলাই চেতনাকে লালন করতে হবে, জুলাই শহীদ ও ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে বেঈমানী করা যাবেনা,রক্তাক্ত ৩৬ জুলাই কে যারা বিতর্কিত করতে চাই তারা জাতির প্রকাশ্য দুষমন। যারা বিপ্লবের তথাকথিত একক ক্রেডিডের দাবীদার তারা নোংরা ও কদাকার রাজনীতির পৃষ্টপোষক। এরা মুলতঃ রাজনৈতিক ডাকাত। এই শ্রেণীর লোকেরা রাজনীতির নামে জনগণের মাথা বিক্রি করে অঢেল সম্পদ লুটপাট করে নিজেদের আখের গোচায়। এই রাজনৈতিক ডাকাতেরা দেশ ও জাতির বোঝা। এই রাজনৈতিক ডাকাতরায় সারা দেশে চাঁদাবাজি, বাস স্যান্ড দখল, চাঁদার জন্য প্রকাশ্যে খুন খারাবী করে চলছে। তারা ৩৬ জুলাই বিপ্লবকে অপমান করে যাচ্ছে। বিপ্লবের চেতনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে, ৩৬ জুলাই বিপ্লবে চেতনা হলো পুরাতনের জড়তা পরিহার করে নতুনত্বকে স্বাগত জানানো। ৩৬ জুলাই এর চেতনা মানে সকল স্থান থেকে দুর্নিতি, বৈষম্য স্বজন প্রীতিসহ যাবতীয় কদাকারকে কোন দলমতের দোহায় দিয়ে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের সাথে বেইমানী করা যাবেনা। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন করতে হবে। আহতদের পুর্ন চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে হবে।
এতে বান্দরবান জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক মাওলানা আবদুল আউওয়ালের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী এডভোকেট আবুল কালাম।
এই গণমিছিলটি কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে শুরু হয়ে বাজার প্রদক্ষিণ করে শহীদ আবু সাঈদ মুক্তমঞ্চে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। এতে জেলা উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।