1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিউজের জেরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে জবাই করে হত্যা

মোহাম্মদ মাসুদ
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ মাসুদ

 

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিউজ করায় গাজীপুরে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে জবাই করে হত্যা। বিকেলে চাঁদাবাজি নিয়ে লাইভ, রাতে সাংবাদিক তুহিনকে গলা কেটে হত্যা। লাইভই কাল হলো সাংবাদিক তুহিনের। এমন লোমহর্ষক হত্যাকান্ডে নিরাপত্তাহীনতায় জনসাধারণ। নির্মম হত্যাকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে গণমাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়ায়। সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে। তীব্র নেতিবাচক কোন সনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সমালোচনার জড় উঠে জনমনে।

 

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবেদন করায় সাংবাদিক তুহিনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি নিঃসন্দেহে একটি ভয়াবহ, মর্মান্তিক এবং সাংবাদিকতার স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তুহিনের মতো একজন সাহসী সাংবাদিককে যেভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে, তা শুধু তার পরিবার নয়—সারা দেশের সংবাদমাধ্যম ও সাধারণ মানুষকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে, চৌরাস্তা এলাকায়, জনসম্মুখে। পূর্ববর্তী প্রেক্ষাপট: বিকেলে চাঁদাবাজি নিয়ে তিনি ফেসবুক লাইভে প্রতিবেদন করেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রতিবেদনই তার হত্যার মূল কারণ।

 

প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য: মসজিদ মার্কেট এলাকায় ছিনতাইয়ের ভিডিও ধারণ করায় তিনি ছিনতাইকারীদের রোষানলে পড়েন।

 

পরিপ্রেক্ষিত: এর আগের দিন একই এলাকায় আরেক সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনকেও হামলার শিকার করা হয়। প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ, আতঙ্ক এবং নিন্দার ঝড়।

 

সংগঠনগুলোর দাবি: জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেফতার ও দ্রুত বিচার দাবি করেছে।

 

সাংবাদিকদের নিরাপত্তাহীনতা দিনদিন বাড়ছে। একের পর এক সাংবাদিকের ওপর হামলা বা হত্যা প্রমাণ করে, দেশে মাঠপর্যায়ে সাংবাদিকরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। এই পরিস্থিতি স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে।

 

রাষ্ট্রযন্ত্রের ভূমিকা: সাংবাদিক সংগঠনগুলো রাষ্ট্রের নীরবতাকে দায়ী করছে, যা একটি উদ্বেগজনক ইঙ্গিত দেয় যে অপরাধীরা প্রভাবশালী এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি গড়ে উঠছে।

 

সামাজিক প্রতিক্রিয়া: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচণ্ড ক্ষোভ দেখা গেছে। সাধারণ মানুষ এবং সহকর্মী সাংবাদিকরা এ ঘটনাকে ঘিরে নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছেন।

 

 

উক্ত স্বাধীন সংবাদ প্রেসের স্বাধীনতা হুমকির মুখে: এই ধরনের ঘটনা সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে পারে, যা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।

 

দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করা আবশ্যক। সরকারের উচিত প্রতিশ্রুতির বাইরে এসে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া। নাগরিক সমাজ, মানবাধিকার সংস্থা ও সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও সক্রিয় হতে হবে।

 

“মসজিদ মার্কেটের সামনে ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন এক নারী। ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করেন তুহিন। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে তার পিছু নেয় ছিনতাইকারীরা,” প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছেন একজন স্থানীয় সাংবাদিক।

 

গাজীপুরে একদিনের ব্যবধানে আনোয়ার হোসেন নামে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধিকে ইট দিয়ে থেঁতলে আহত করা হয়েছে থানার সামনে। তার পরদিন আজ বৃহস্পতিবার রাতে আসাদুজ্জামান তুহিন কে জবাই করে হত্যা করা হয়।

 

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি এ ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রতি রাষ্ট্র যন্ত্রের নীরবতাকে দায়ী করে অবিলম্বে হত্যাযজ্ঞের নৃশংস ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচার দাবি করেন সাংবাদিক মহল সর্বস্তরের সংগঠন ও সকল শ্রেণী পেশার সর্বস্তরের মানুষ।

 

সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব পালনে মধ্যযুগীয় কাঁয়দায় হত্যা য় চরম নিরাপত্তাহীনতায় সাধারণ মানুষ। শোকাহত সাংবাদিক মহল সচেতন মহল ও দেশবাসী। যার প্রতিবাদ বিবৃতি, সম্পাদিত সংবাদ রিপোর্ট, কিংবা ব্লগ পোস্ট তৈরি করে প্রকাশ প্রচার হতে থাকে মুহূর্তের মধ্যেই। যা সোশ্যাল মিডিয় পত্রিকায় প্রকাশ হয় সকল গণমাধ্যমে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com