
আনিছুর রহমান নিজস্ব প্রতিবেদক (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রাম: বাঁশখালী সাহিত্যপ্রেম এবং শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাঁশখালী আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ দিদারুল আলম, তরুণ কবি ও লেখক উলন পাল রকি-র ‘কালজয়ী কাব্য’ গ্রন্থের একটি সৌজন্য কপি গ্রহণ করেছেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ দিদারুল আলম নিজস্ব চেম্বারে এই আন্তরিক অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
৪২ জন প্রতিভাবান কবির কবিতা নিয়ে প্রকাশিত ‘কালজয়ী কাব্য’ গ্রন্থটিতে কবি উলন পাল রকিরও একটি কবিতা অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা গ্রন্থটিকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। কবির হাত থেকে এই কাব্যগ্রন্থটি উপহার পেয়ে অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ
দিদারুল আলম তার গভীর আনন্দ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “সাহিত্যের প্রতি আমার ভালোবাসা চিরন্তন। এমন একটি সুন্দর কাব্যগ্রন্থ হাতে পেয়ে আমি সত্যিই আনন্দিত। উলন পাল রকি অত্যন্ত প্রতিভাবান একজন কবি। তার মতো তরুণ লেখকদের হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য আরও সমৃদ্ধ হবে।” আরও বলেন যে, তিনি বিশ্বাস করেন উলন পালের সাহিত্য প্রতিভা তাকে ভবিষ্যতে আরও অনেক দূরে নিয়ে যাবে এবং তার লেখালেখির ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।
১৯৮৯ সালের ২৫ আগস্ট চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এই প্রতিভাবান কবি। তার বাবা মানিক চন্দ্র পাল এবং মা সন্ধ্যা রানী পাল। তিন ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত উলন পালের সহধর্মিণীর নাম উপমা দাশ বৃষ্টি এবং তাদের একমাত্র পুত্র সন্তানের নাম উজ্জয়ন।
পেশাগত জীবনে একটি ঔষধ কোম্পানিতে কর্মরত থাকলেও, লেখালেখিই তার প্রকৃত নেশা। তার অসংখ্য কবিতা বিশ্ববাংলা সাহিত্য একাডেমি এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। তার কিছু উল্লেখযোগ্য যৌথ কাব্যগ্রন্থ হলো ‘প্রিয় কাঠ গোলাপ’, ‘মৃত্যু জানালার ও পাশে’, ‘স্বপ্ন তরী’, ‘নির্জনতার নীল চিঠি’, ‘ফুলের হাসি’, ‘জীবন থেকে নেয়া’, ‘কালজয়ী কাব্য’, ‘পুষ্পকলি’ এবং ‘কাব্যমালা’।