1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
খামেনিকে কীভাবে হত্যা কিভাবে সুরক্ষিত ভবনে করা হলো? কোনাখালী ৩ ও ৪নং ওয়ার্ডে অর্ধশতাধিক পরিবারকে ইফতার সামগ্রী প্রদান লামায় দুই অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানজরিমানা ৫ লাখ টাকা, জব্দ কয়েকশ’ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগের মানবিক উদ্যোগ ইরানে হামলা শুরু, খামেনেয়ির অবস্থান সম্পর্কে যা জানা গেল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ কথিত বিএনপি’র নেত্রী মনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন জাগৃতি ইফতার সামগ্রী বিতরণ  সাংবাদিকদের মহান দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা- মিলন এমপি বাকলিয়ায় ভেজালবিরোধী অভিযান দেলোয়ার ফুডসহ ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা চট্টগ্রামে বিপুল পরিমাণ বিদেশি জাল মুদ্রাসহ পেশাদার কারবারি র‌্যাবের জালে

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৫ বার পড়া হয়েছে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি

চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে।

রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগচট্টগ্রাম প্রতিনিধি চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com