সাগরিকা রোড কাষ্টমে সরকারি গুদামে রক্ষিত মালামাল কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজসে আত্মসাত
ডেস্ক রিপোর্ট
যথাযথ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক আপনার সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের লক্ষ্যে জানাচ্ছি যে, আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী দীর্ঘদিন যাবত পরিবহন কাজে নিয়োজিত রয়েছি। সেই হিসেবে যাও ০২-০৪-২০২৫ইং রোজ বুধবার জনৈক সুমন সিকদার (মোবাইলঃ ০১৯৯৮-২০০৯৬০) নামীয় একজন জুট ব্যবসায়ী মালামালসমূহ (কাগজ) নিয়ে যাওয়ার জন্য আমার নিকট থেকে ৩টি কাভার্ড আন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন এবং আমার সাথে দরদাম ঠিক করে আমি তাকে এটি কাভার্ড ভ্যান হাসান করি। তারমধ্যে ২টি কাভার্ড ভ্যান রাত ৩ ঘটিকার সময় সাগরিকা রোড, বিটেক, চট্টগ্রাম কায়ম এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসে নিয়ে যায়। তখন কাষ্টম একাডেমী গেইটে তিন জন আনসার ডিউটি অবস্থায় ছিল, যার এক জনের মোবাইল নম্বর কালেকশন করেছি (মোবাইল্য ০১৬০৯-৪১০৩৮০)। কিন্তু কাভার্ড ভ্যানের ড্রাইভার আতিক উল্ল্যাহর ভাষ্যমতে জানতে পারি যে, গাড়ী দুইটিতে মালামাল লোড না করে বের করে দেওয়া হয় (গাড়ী দুইটি যথাক্রমে- (১) চট্টমেট্রো-ট-১১-২৪৬৪ এবং (২) ঢাকামেট্রো-ড-১৫ ৭৯৫৬) বলে ড্রাইভার আমাকে ফোন করে ঘটনাটি জানাই। তখন আমি সুমন সিকদারকে ফোনে অবগত করিলে একটু সমস্যা রয়েছে, কিছুক্ষন পর আমি গাড়ী দুইটিতে মালামাল লোড করব বলে আমাকে জানান। ঠিক ৩.৩০ ঘটিকার সময় গাড়ী দুহাট পুনরায় কাষ্টম একাডেমীতে ঢুকাই এবা মালামালসমূহ গাড়ীতে পোড করে। কিন্তু গাড়ীর ড্রাইভার আমাকে জামান যে, সুমন সিকদার কাগজের বিপরীতে সরকারি ডকুমেন্টধারী মালামাল (কাপড়ের রেল) গাড়ীতে লোড করে। তখন আমি জানতে পেরে সুমন সিকদারকে ফোনে বলি যে, আপনি আমার নিকট থেকে কাগজ লোড করার কথা বলে আমি গাড়ীতে কাপড় লোড করেছেন কেন? জিজ্ঞাসা করিলে তিনি আমাকে উক্ত মালামালসমূহ সরকারি ডকুমেন্টধারী বলে জানান। গাড়ী দুইটির মধ্যে একটি গাড়ী রাত ৪.১০ ঘটিকার সময় বাহির করে এবং অন্যটি ভোর ৬.৪০ ঘটিকার সময় মালামালসমূহ লোড করে বাহির করে দেয় এবং গাড়ী দুইটি সীতাকুন্ড খামার অন্তর্গত কেডিএস ডিপের সামনে দাড় করিয়ে রাখে বলে ড্রাইভার আমাকে জানান। পরবর্তীতে কাভার্ড ভ্যান দুইটি ঢাকায় গিয়ে মীরপুর-১ নম্বরের একটি গুদামে আনলোড করে গাড়ী দুইটি চট্টগ্রামে চলে আসে। কিন্তু আমি পরবর্তীতে জানতে পারলাম যে, ঈদের ছুটিতে কাউম একাডেমীর গুদাম থেকে এ.সি শারমিষ্ঠা ম্যাডাম (০১৭১৫-৫৩০৮৯১) এর নেতৃত্বে আশিষ বড়য়া (মোবাঃ
৩.৩০ মিনিটে ২টি কাভার্ড ভ্যানে মালামাল লোড করে, যার বাজার মূল্য ২(দুই) কোটি টাকা, যা অন্যত্র বিক্রয় করে দেন (যা সিসিটিভির ফুটেজ দেখলে বুঝা যাবে)। মাল ডেলিভারীর সময় আসার ছিল ৩জন, যার মধ্যে একজন চাইলা বিপরু (মোবাঃ ০১৬০৯-৪১০৩৮০) ও দ্বিতীয় জন দিলীপ বড়য়া। পরবর্তীতে আমি সুমন সিকদারকে মালামালগুলো চোরাকৃত মালামাল বলিতে দার আমাকে ফোনে হুমকি দিয়ে বলেন যে, যদি উক্ত ঘটনাসমূহ অন্য কেউ জানতে পারে তাহলে তোমাকে গুম করে লাশ সাগরে ভাসিয়ে দিব বলে হুমকি ধমকি দেয়। এমতাবস্থায় এ ব্যাপারে যথাযথ তদন্ত। সহকারে দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে আসতেছি