
কাগজ বাণিজ্য ডেসপ্যাচ ইনচার্জের ঘুষ নেওয়ার ছবি ফাঁস
বিস্তারিত পড়ুন সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার্স ছৈয়দুল করিম খান তথ্য প্রতিবেদনে
চট্টগ্রাম আদালতের ঐতিহাসিক লাল দালান,যেখানে বিচারপ্রার্থীরা আসেন ন্যায়বিচারের আশায়, সেখানেই চলছে পুলিশের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি,
আমাদের ধারাবাহিক (৩য়)তৃতীয় পর্বের প্রতিবেদনের প্রথম পর্বের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন
এবার অভিযোগের তীর খোদ চট্টগ্রাম কোট বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলার ডেসপ্যাচ শাখার ইনচার্জ এবং তার সহযোগীর বিরুদ্ধে।
ঘটনার বিবরণ:সদ্য জামিন পাওয়া এক আসামির মুক্তির পরোয়ানা (Release Order) কারাগারে পাঠানোর কথা ছিল ডেসপ্যাচ শাখা থেকে,এটি তাদের সরকারি দায়িত্ব,
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে,ডেসপ্যাচ ইনচার্জ এবং সাদা পোশাকে থাকা আরেক পুলিশ সদস্য সেই কাগজ পাঠানোর জন্য আসামির অসহায় পরিবারের কাছে হাজার হাজার টাকা দাবি করেন,
টাকা না দিলে ‘নামাজের সময় হয়ে গেছে,গাড়ি চলে গেছে’ বা ‘দেরি হবে’এমন অজুহাত দেখিয়ে কাগজ আটকে রাখার ভয় দেখানো হয়,
ভিডিও প্রমাণ:আমাদের হাতে আসা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ডেসপ্যাচ ইনচার্জ নিজে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট গ্রহণ করছেন,
আদালতের পবিত্রতা নষ্ট করে খোদ বিচারকের আদেশের কাগজ বিক্রি হচ্ছে পুলিশের হাতেই,
আইনি বিশ্লেষণ:আইনজীবীরা বলছেন,
আদালতের আদেশের পর কাগজ পাঠাতে টাকা নেওয়া শুধু ঘুষ নয়, এটি বিচার ব্যবস্থাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর শামিল।[1] দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ,
কিছুদিন আগেই চট্টগ্রাম আদালতে ঘুষের ভিডিও ভাইরালের জেরে এক এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল,তবুও থামছে না এই অসাধু চক্রের দৌরাত্ম্য,
প্রশ্ন এখন একটাই:ভিডিও প্রমাণ থাকার পরেও কি এই ডেসপ্যাচ ইনচার্জের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সিএমপি কমিশনার? নাকি ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় ধামাচাপা পড়বে গরিবের রক্ত চোষা এই হাজার হাজার টাকার ঘুষ বাণিজ্য?//??
ইনচার্জকে হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার কল ও খুদে বার্তা: ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলেও উত্তর দেননি তিনি
আমরা চোখ রাখছি প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে ধারাবাহিক তৃতীয় পর্বের প্রথম (১ম)পর্ব