বাঁশখালীর রাজনীতিতে সম্প্রীতির নতুন দিগন্ত; দুই নেতার সৌহার্দ্যে আশার আলো
আনিছুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক চট্টগ্রাম।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক তিক্ততা কাটিয়ে দুই প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় নেতার মধ্যকার পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আন্তরিকতা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং বিএনপির প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা—তাঁদের মধ্যকার এই সুসম্পর্ক এখন বাঁশখালীবাসীর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
রাজনীতিতে ভিন্ন আদর্শ থাকা স্বাভাবিক, কিন্তু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সেই ভিন্নতাকে পাশ কাটিয়ে সহনশীলতা প্রদর্শন করা বিরল। বাঁশখালীর এই দুই নেতা প্রমাণ করেছেন যে, নির্বাচনী লড়াই মানেই ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা নয়; বরং এটি জনগণের সেবা করার সুযোগ পাওয়ার একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার পর তাঁদের মধ্যকার হৃদ্যতাপূর্ণ দৃশ্য সাধারণ ভোটারদের মনে অভয় ও আস্থার সঞ্চার করেছে।
এই দুই নেতার দায়িত্বশীল ভূমিকার ফলে বাঁশখালীর নির্বাচনী মাঠ নিয়ে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী।।শীর্ষ নেতাদের এই সৌহার্দ্য বজায় থাকলে সাধারণ ভোটাররা কোনো প্রকার ভয়-ভীতি ছাড়াই কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। সে সাথে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে প্রতিহিংসা পরায়ণতা কমে আসবে এবং ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি পাবে। কাদা ছোঁড়াছুড়ির পরিবর্তে এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন ও জনগণের সমস্যা সমাধান নিয়ে গঠনমূলক আলোচনার সুযোগ তৈরি হবে।
অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলামের প্রজ্ঞা এবং মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পার তারুণ্যদীপ্ত নেতৃত্বের এই মেলবন্ধন বাঁশখালীতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আবহ তৈরি করেছে। প্রচারণাকালে একে অপরের প্রতি এই উদারতা ও সম্মান প্রদর্শন ভবিষ্যতে একটি সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গঠনে মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে অভিমত দিয়েছেন জনসাধারণ তারা মনে করেন ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে লড়াই হোক—এটাই এখন বাঁশখালীর রাজনীতির মূলমন্ত্র। পারস্পরিক আন্তরিকতার এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাঁশখালী হয়ে উঠবে সারা দেশের জন্য রাজনৈতিক সম্প্রীতির এক অনন্য মডেল স্থাপন করবে।