
এনসিপি জোটের সিদ্ধান্তে বান্দরবানে জামায়াত প্রার্থী প্রত্যাহার, সুবিধাজনক অবস্থানে বিএনপি
স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ মোরশেদ আলম চৌধুরী
বান্দরবানের ৩০০ নম্বর আসনেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল তুঙ্গে। একদিকে বিএনপির প্রভাবশালী প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম—দুই পক্ষের প্রচারণায় জমে উঠেছিল নির্বাচনী মাঠ। এছাড়া পাহাড়ি সংগঠন জেএসএস থেকেও প্রার্থী দেওয়ার আলোচনা চলছিল।
তবে তফসিল ঘোষণার পরপরই প্রথম ধাক্কা আসে পাহাড়ি রাজনীতিতে। তিন পার্বত্য জেলায় জেএসএস সমর্থিত প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। স্থানীয়দের ধারণা, এতে উপজাতীয় ভোটের বড় একটি অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকতে পারে।
এরপর রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন আসে জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহারের মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিন মাঠে সক্রিয় প্রচারণা চালালেও জোটগত সিদ্ধান্তের কারণে জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বান্দরবান আসন ছেড়ে দেন। এনসিপি নেতা এসএম সুজা উদ্দিনের সঙ্গে জোট সমঝোতার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় নির্দেশনায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শামিম আরা রিনি।
এতে করে নির্বাচনী মাঠে বিএনপি প্রার্থীর পথ অনেকটাই মসৃণ হয়ে গেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। অনেকের মতে, এবারের নির্বাচনে আবুল কালাম ছিলেন বিএনপি প্রার্থীর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জামায়াত নেতা জানান, কিছু আসনে ভালো ফলের সম্ভাবনা থাকলেও জোট রাজনীতির বাস্তবতায় মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছে দলটি।
এদিকে জেএসএস ও জামায়াত—দুই পক্ষের প্রার্থী না থাকায় বান্দরবানে বিএনপি প্রার্থীর অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে। তবে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে এই রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বলছেন, প্রকৃত প্রতিযোগিতা না থাকায় ভোটের আগ্রহ কমতে পারে।
এ বিষয়ে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন,
“দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি। দলের স্বার্থেই এই ত্যাগ