1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০১:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
খামেনিকে কীভাবে হত্যা কিভাবে সুরক্ষিত ভবনে করা হলো? কোনাখালী ৩ ও ৪নং ওয়ার্ডে অর্ধশতাধিক পরিবারকে ইফতার সামগ্রী প্রদান লামায় দুই অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানজরিমানা ৫ লাখ টাকা, জব্দ কয়েকশ’ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগের মানবিক উদ্যোগ ইরানে হামলা শুরু, খামেনেয়ির অবস্থান সম্পর্কে যা জানা গেল ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়িকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে রক্তাক্ত করার অভিযোগ কথিত বিএনপি’র নেত্রী মনির অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন জাগৃতি ইফতার সামগ্রী বিতরণ  সাংবাদিকদের মহান দায়িত্ব বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন করা- মিলন এমপি বাকলিয়ায় ভেজালবিরোধী অভিযান দেলোয়ার ফুডসহ ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা চট্টগ্রামে বিপুল পরিমাণ বিদেশি জাল মুদ্রাসহ পেশাদার কারবারি র‌্যাবের জালে

বান্দরবানে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, বন বিভাগের এক ফরেস্টারকে ঘিরে আলোচনা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৮৮ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, বন বিভাগের এক ফরেস্টারকে ঘিরে আলোচনা

হাফিজুর রহমান খান, স্টাফ রিপোর্টার।।

বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় অবৈধ করাতকল ও কাঠ ব্যবসা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. জহিরুল আলম, যিনি বর্তমানে বান্দরবানের পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগের স্পেশাল টিমের ওসির দায়িত্বে রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মো. জহিরুল আলম এক বছর আগে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বিপুল পরিমাণ সরকারি গাছ বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বালাঘাটা এলাকায় অন্তত ৬টি অবৈধ করাতকল রয়েছে। এসব করাতকল থেকে প্রতি মাসে প্রতিটি কল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে চোরাই পথে আনা কাঠ থেকেও আলাদা হারে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেগুন কাঠ থেকে প্রতি ঘনফুটে ১০০ টাকা এবং গামারীসহ অন্যান্য কাঠ থেকে প্রতি ঘনফুটে ৫০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হয়। এতে করে শুধু বালাঘাটা এলাকা থেকেই মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আদায় হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগের দখলদারিত্ব ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি তাদের কাছে ‘মানিক’ নামে পরিচিত বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com