
**ক্রাইম রিপোর্টার মো.ছৈয়দুল করিম খান চট্টগ্রাম**
চিকিৎসকের কাজ জীবন বাঁচানো,কিন্তু সেই রক্ষকই যখন ভক্ষক হয়ে নিজের অনাগত সন্তানকে মায়ের পেটে লাথি মেরে হত্যা করে,তখন তাকে আর মানুষ বলা যায় না বলতে হয় নরপশু,এমনই এক লোমহর্ষক ও কলঙ্কজনক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার,ও পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেড এবং EPIC Health Care **বিভিন্ন হাসপাতালসহ প্রাইভেট ক্লিনিক রোগী দেখেন ডা. মাহমুদ উল্লাহ ফারুকী**তিনি সেবা দেন নাক-কান ও গলার পলিপ, নাক বন্ধ, নাকের হাড় বাঁকা নাক-কান ও গলার এর সুবিধা দেন রোগীদের কিন্তু তার আড়ালে ভয়ংকর প্রতারণা ও ভন্ডামি করতে থাকেন,
যৌতুকের লেলিহান শিখা আর বিকৃত কামলিপ্সায় অন্ধ হয়ে এই সরকারি কর্মকর্তা তার স্ত্রীকে বানিয়েছেন বর্বরোচিত নির্যাতনের কেন্দ্রবিন্দু,একাধিক নারীর সাথে অনৈতিক সম্পর্ক,প্রতারণা এবং নিজের ঔরসজাত ভ্রুণ হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের অভিযোগ উঠেছে এই লম্পট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে,স্বাস্থ্য সচিব বরাবর অভিযোগ এবং আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন,ডা. ফারুকীর সরকারি চাকরি এখন সুতোয় ঝুলছে,
**বিয়ের নামে প্রতারণার ফাঁদ ও ‘সেক্সুয়াল প্রিডেটর’ ফারুকী**
অনুসন্ধানে জানা যায়,গত ০১/০৪/২০২৫ তারিখে তানজিনা সোলতানা শিউলিকে বিয়ে করেন ,ডাঃ মাহমুদ উল্লাহ ফারুকী,কিন্তু এটি ছিল একটি সাজানো নাটক, অভিযোগ রয়েছে,এই ডাক্তার বিয়ের আগেই তার প্রথম বিবাহের তথ্য সম্পূর্ণ গোপন করেন,বিয়ের পর তার মুখোশ খসে পড়ে,বেরিয়ে আসে তার আসল রূপ, একাধিক নারীর সাথে পরকীয়া এবং অনৈতিক সম্পর্কের প্রমাণ হাতে আসে স্ত্রীর,চারিত্রিক স্খলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছানো এই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ এখন ওপেন সিক্রেট,
**ভ্রুণ হত্যা: একটি ঠান্ডা মাথার খুন সেক্সুয়াল প্রিডেটর’ ফারুকী**
ডা. ফারুকীর পৈশাচিকতা হার মানিয়েছে মধ্যযুগীয় বর্বরতাকে,যৌতুকের দাবি মেটাতে না পারায় তিনি স্ত্রীকে কেবল মারধরই করেননি,বরং তলপেটে লাথি মেরে ও ওষুধ প্রয়োগ করে দুই-দুইবার নিজের অনাগত সন্তানকে হত্যা (মিসক্যারেজ) করিয়েছেন,একজন ডাক্তার হয়ে তিনি কীভাবে হিপোক্রেটিক ওথ ভুলে নিজের সন্তানকে হত্যা করলেন,তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সচেতন মহল,এটি কেবল নির্যাতন নয়, এটি স্পষ্ট ‘ভ্রুণ হত্যা’—যা ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে একটি গুরুতর অপরাধ,
**রক্তাক্ত জানুয়ারি: নির্যাতনের ভয়াল বিবরণ**
গত ০৩/০১/২০২৬ তারিখে ১৫ লক্ষ টাকা যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পশুর মতো পিটিয়ে ঘর থেকে বের করে দেন এই যৌতুকলোভী ডাক্তার,এতেও তার ক্ষোভ মেটেনি, গত ০৯/০১/২০২৬ তারিখে বাকলিয়াস্থ বাসায় আবারও যৌতুক দাবি করেন এবং টাকা না পেয়ে স্ত্রীর ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন,কিল,ঘুষি ও লাথিতে স্ত্রীর শরীর রক্তাক্ত করে দেন,গলার নিচে ও শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত করে তাকে গুরুতর জখম করা হয়,চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (OCC) রিপোর্ট এই বর্বরোচিত হামলার সাক্ষী দিচ্ছে,
**আদালতের কাঠগড়ায় ও চাকরির কফিনে শেষ পেরেক**
স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় (সি.আর- ৫৪/২৬) আদালত এই লম্পট চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা (W/A) জারি করলে তিনি পালিয়ে বেড়ান এবং পরে নাকে খত দিয়ে আপোষের শর্তে জামিন নেন,কিন্তু এতেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না,
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮-এর ৩৯(২) ধারা অনুযায়ী,নারী নির্যাতন ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধে অভিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মকর্তার চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ নেই, ভুক্তভোগী স্ত্রী স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে ডা. ফারুকীর বরখাস্ত ও কঠোর শাস্তির দাবিতে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন,
**ভয়াবহ পরিণতির অপেক্ষায় ডা. ফারুকী**
আইনজ্ঞরা বলছেন,ভ্রুণ হত্যা ও নারী নির্যাতনের মতো ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে ডা. ফারুকীর কেবল চাকরিই যাবে না,তার মেডিকেল লাইসেন্স (BMDC) বাতিলসহ দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড হতে পারে,পটিয়ার কচুয়াই গ্রামের গোলাম কাদের ফারুকীর এই কুলাঙ্গার সন্তানের অপকর্মের ফিরিস্তি এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের টেবিলে,
যেকোনো মুহূর্তে সাসপেন্ড (সাময়িক বরখাস্ত) এবং পরবর্তীতে স্থায়ী চাকরিচ্যুতির নোটিশ আসতে পারে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে আভাস পাওয়া গেছে,সমাজ ও রাষ্ট্রের চোখে ধুলো দিয়ে চলা এই ‘হোয়াইট কালার ক্রিমিনাল’ এর শেষ পরিণতি দেখার অপেক্ষায় এখন চট্টগ্রামবাসী।
★**ঘটনার বিষয় নিয়ে ডাঃ মাহমুদ উল্লাহ ফারুকীকে গণমাধ্যম কর্মীরা একাধিকবার কল দেই ঘটনা ভিসা নিয়ে জানতে চাইলেই তিনি ব্যস্ত আছেন বলে এড়িয়ে যান**★
***★এ ঘটনার বিষয় নিয়ে ক্রাইম রিপোর্টার মো.ছৈয়দুল করিম চট্টগ্রাম সিভিল সার্জনকে অবগত করেন তিনি বলেন আমরা ডাঃ মাহমুদ উল্লাহ ফারুকী বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।
★***এদিকে ভুক্তভোগী জানাই আমাকে রাত দিন নির্যাতন করেছে,তাকে আইনের আওতায়নে ফাঁসিতে ঝুলানো দরকার না হয় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হোক।