
বিশেষ প্রতিনিধি চট্টগ্রাম, শওকত হোসেন
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা অন্যতম আনোয়ারা উপজেলার চাতরী চৌমুহনী এলাকার ট্রাফিক ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ এর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি, অটোরিক্সা, পিকআপ সহ বিভিন্ন পরিবহন থেকে নিরবে চাতরী চৌমুহনী দক্ষিণ পাশে আনোয়ারা বাঁশখালী রোড সংলগ্ন মমতাজ কনভেরশন হলের সামনে একটি চায়ের দোকানে বসে সিএনজি অটোরিকশার ড্রাইভার দের থেকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে আদায় করে তাকেন, কোন টোকন ব্যবহার না করে, ড্রাইভার দের নাম ও মোবাইল নম্বার নিয়ে মাসিক কোটা আদায় করেন, হাজার হাজার সিএনজি গ্যাস নেওয়ার জন্য চাতরী চৌমুহনী বাজার এলাকা দিয়ে যেতে হয়, আনোয়ারা, বাঁশখালী, পেকুয়া,
চকরিয়া, চন্দনাইশ এলাকা সিএনজি চলাচল করা থাকে, ড্রাইভাররা বলেন মাসিক চাঁদা না দিলে তাদের গাড়ি আটক করে মামলা দিয়ে তাকে ও মামলার ভয় দেখিয়ে তাকেন, ড্রাইভার গন পরিস্থিতির কারণে মাসিক কোটা দিয়ে চলাচল করতে হয়, বিভিন্ন ড্রাইভার এই অভিযোগ করেন, ড্রাইভাররা নাম বলতে ভয়ে অনিচ্ছুক প্রকাশ করেন, ড্রাইভারা বলেন আমাদের গাড়ির নাম্বার না থাকার কারণে বেশি হয়রানি করেন, অতএব যারা মাসিক কোটা দিয়ে চলে তারা চাতরী চৌমুহনী বাজারে রাস্তায় গাড়ি রেখে যাত্রী ওঠানামা করেন এবং রাস্তার মধ্যখানে দাঁড়িয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন বিভিন্ন পরিবহন ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটের ভোগান্তি পেতে হয়, যানজটে কারনে কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে স্কুলগামী শিক্ষার্থী পর্যন্ত শত শত মানুষ সে ভোগান্তির শিকার হতে হয়, স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন প্রতিদিন চাতরী চৌমুহনী বাজারের যানজট লেগে তাকে, এ বিষয়ে প্রশাসনের নীরব ভূমিকায় অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীর ট্রাফিক ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ এর মোবাইলে কল করে জানতে চাইলে উনি মোবাইল এর কল কেটে দিয়েছেন,