
ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারে টেকনাফের বাহারছড়ায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় চলছে মানবপাচার:
এলাকাবাসীথ অভিযোগ প্রশাসনকে মাসিক মাসহারা চাঁদা দিয়ে মানব পাচারকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে।
ফলে রাত দিন সমান তালে চলছে মানব পাচার৷ এমনকি টেকনাফ উপজেলার উপকূলীয় বাহারছড়া ইউনিয়নের নোয়াখালী পাড়া এলাকার শীর্ষ মানবপাচারকারী আব্দুল আলী,একই গ্ৰামের
বাঘ ঘোনা এলাকার মোঃ আনোয়ারের পুত্র শীর্ষ মানবপাচারকারী ছৈয়দুর রহমান প্রকাশ কালা বাশি,
দক্ষিণ কচ্ছপিয়ার ফিনিক্স ভাঙ্গা এলাকার
আলী আহমদের দুই পুত্র শীর্ষ মানবপাচারকারী ফারুক তার আপন ভাই আরেক শীর্ষ মানবপাচারকারী ছৈদুলক ওরফে পা কাটা ছৈদুলক। উত্তর কচ্ছপিয়া এলাকার আরেক শীর্ষ মানবপাচারকারী করাচি পাড়া এলাকার মোঃ সালাম,নোয়াখালী পাড়া এলাকার মমতাজ সাওদাগরের ছেলে আয়াতুল তানজীদ ওরফে আবু তৈয়ব,কচ্ছপিয়া এলাকার বশিরের পুত্র মুজিব উল্লাহ,মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে আহমদ,বাদশা মিয়ার ছেলে জসিম,ওসমানের ছেলে জব্বার,কচ্ছপিয়া এলাকার জাকের হোসেনের পুত্র শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুল আমিন,দালাল গফুর ওরফে গালু গফুরসহ একাধিক ব্যক্তির নেতৃত্বে সমান তালে চলছে মানব পাচার।
তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে মানবপাচার বন্ধ হবে বলে জানান, কচ্ছপিয়া ও নোয়াখালী পাড়ার এলাকাবাসী।
এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় চালিয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়ায় আদমপাচার, মিয়ানমারে পণ্যপাচার,টাকার বিনিময়ে সাগর থেকে মাদক উত্তোলন।
সূত্রমতে, আইনশৃংখলাবাহিনী এদের কাছ থেকে নিচ্ছে সাপ্তাহিক/মাসিক মাসোহারা চাঁদা। ফলে দিনদিন বাড়ছে উক্ত এলাকায় অপহরণ/খুন/ধর্ষণ/চোরাকারবার, মানবপাচার। এদেরকে আটক করা না হলে আরও তীব্র ভয়াবহতার সৃষ্টি হবে বলে স্থানীয় এলাকাবাসীর অভিমত। তাই তাদেরকে অনতিবিলম্বে চিরনি অভিযান পরিচালনা করে গ্রেপ্তার করার জন্য এলাকাবাসী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।
অন্যদিকে মানবপাচারের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে টেকনাফ সদরের রাজার ছড়া এলাকার ত্রিফল হত্যা মামলার আসামি শীর্ষ স’ন্ত্রাসী আব্দুল আমিন।
তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে হতে হয় গুম খুন,হ’ত্যা।