1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা বদরখালীতে এমপি আলমগীর ফরিদের গাড়িবহরের গাড়িচাপায় শিশুর মৃত্যু, বিক্ষুব্ধ জনতার গাড়ি ভাঙচুর মাতারবাড়ী বন্দরের অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে সার্ভে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ নারায়ণগঞ্জ-এ খুদে উদ্যোক্তাদের সংকট: শ্রমিকদের বেতন দিতে হিমশিম কাগতিয়া দরবারের খতমে কোরআন মাহফিল সম্পন্ন মিঠাপুকুরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত।  থানচিতে হাওয়ায় উড়ে গিয়ে মৃত এক যুবক  দুস্থদের ইফতার সামগ্রী প্রদান এমপি আবু সুফিয়ান:চট্টগ্রাম নতুন ব্রিজঅটো টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়ন আমিয়াল গ্রুপের কর্ণধার সৌদি প্রবাসী ইয়াছিন মিয়ার উদ্যোগে রমজানের ২০০০ পরিবার পেল উপহার সামগ্রী  তানোরে শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত।

মাতারবাড়ী বন্দরের অধিগ্রহণে ক্ষতিপূরণ না দিয়ে সার্ভে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

হাফিজুর রহমান খান, কক্সবাজার।।
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

হাফিজুর রহমান খান, কক্সবাজার।।

 

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ধলঘাটা ইউনিয়নের বনজামিরা ঘোনা এলাকায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পের অধিগ্রহণকৃত জমির অবকাঠামো ক্ষতিপূরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ক্ষতিপূরণের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও এক ভূমিহীন নারী দুই বছরেও ক্ষতিপূরণ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।

 

ভুক্তভোগী স্বামী পরিত্যক্তা রেহেনা বেগম অভিযোগ করেন, ধলঘাটা মৌজার এল.এ মামলা নং–০৫/২০১৯-২০ এর আওতায় বনজামিরা ঘোনা বেড়িবাঁধ এলাকায় বসবাসরত ভূমিহীন পরিবারগুলোর অবকাঠামো ক্ষতিপূরণের জন্য তালিকা প্রস্তুত করা হয়। মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের তথ্য সংগ্রহের দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্ভে প্রতিষ্ঠান সিসিডিভি (CCDV) তদন্ত করে বেড়িবাঁধের ওপর বসবাসরত ২২টি ভূমিহীন পরিবারের নাম তালিকাভুক্ত করে।

 

তিনি জানান, তালিকাভুক্ত ২২টি পরিবারের মধ্যে ২১টি পরিবারকে প্রায় ৪ লাখ টাকা করে অবকাঠামো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলেও তার নামে বরাদ্দ থাকলেও এখনো কোনো অর্থ তিনি পাননি। এ ঘটনায় সার্ভে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগসাজশে তার প্রাপ্য প্রায় ৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

 

রেহেনা বেগম আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সরকারি বেড়িবাঁধের ওপর বসবাস করে আসছেন এবং তার বসতঘরের অবকাঠামোও জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে চূড়ান্ত তালিকা থেকে তার নাম বাদ পড়ে যায়।

 

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে তিনি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন। তবে অভিযোগ দেওয়ার দুই বছর পার হলেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

 

তিনি দ্রুত তদন্ত করে তার বসতঘরের অবকাঠামোর ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com