
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চেহারায় নম্র ভদ্র হলেও গোপনে এক ভয়ংকর পরিবহন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের মহানায়ক টিআই ফারুক। যে কোন গাড়িই দক্ষিণ চট্টগ্রাম রুটের বৈতরনী পার হতে গেলেই গুনতে হবে নির্ধারিত চাঁদা। আর না দিলেই কপালে জোটে মিথ্যা মামলা, ও হয়রাণী। তবে,এই ভয়ংকর সিন্ডিকেটের ভয়ে মুখ খোলেন না কোন চালক। গোপনে নয়,প্রকাশ্যে এমন চাঁদা বাজী চলে সড়কে।
মাসে প্রকাশ্য আদায় করা হয়ে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। বলা যায়,টাকা কামানোর বৈধ মেশিন এই ট্রাফিক পুলিশ বক্স।
অনুসন্ধান বলছে, চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওমর ফারুকের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে ৫ সিন্ডিকেটের একটি শক্তিশালী চাঁদাবাজ চক্র। তাদের মধ্য টি আই এর ক্যাশিয়ারের দায়িত্বে আছেন মন্নান। মাঠ পর্যায়ে টাকা তোলা ও গাড়ির লাইন নিয়ন্ত্রন করেন এনাম,বদি,শানু,ও পুলক ।
অনুসন্ধান দেখা যায়,দক্ষিন চট্টগ্রাম রুটে চলাচল করে দুই হাজার গ্রাম সিএনজি থেকে মাসিক আদায় করা হয় ৫০০,যার মাসিক চাদার পরিমান দাড়ায় ১০ লক্ষ টাকা,ঢাকা কক্সবাজার রুটের যাত্রী বাসী বাস চলে ১২শ গাড়ি গাড়ি প্রতি চাঁদা নেওয়ার হয় ২ হাজার টাকা। মাসিক চাদা উঠে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা। চট্টগ্রাম কক্সবাজার রুটে সৌদিয়া,মারসা ও এস আলম মাসিক আদায় করা হয় ৩ লক্ষ টাকা। চার চাকা লেগুনা গাড়ি চলে ১০০ টি। গাড়ি প্রতি আদায় করা হয় ১৫০০ টাকা। যার মাসিক চাদার পরিমান দাঁড়ায় দেড় লক্ষ টাকা। বান্দরবানের অবৈধ চোরাই গাছের গাড়ি থেকে গাড়ি প্রতি আদায় করা হয় ১৫০০ টাকা।
ট্রাক প্রতি আদায় করা হয় ১৫০০ টাকা।
এসব গাড়ি থেকে টাকা উত্তোলনের দায়িত্বে কাজ করেন আব্দুল মান্নান। টিম অ্যান্টি করাপশন মোমেন্টর হাতে আসা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়,টি আই ফারুকের ব্যাক্তিগত কক্ষেই সিএনজির মাসিক সিএনজি থেকে টাকা নিচ্ছেন মন্নান। এই মন্নানই টি আই এর ব্যাক্তিগত ক্যাশিয়ার হিসেবে বেশ পরিচিত। লোকাল সাংবাদিক থেকে রাজনৈতিক নেতা সবই নিয়ন্তন করেন তিনি।
আরেকটি ভিডিওতে মন্নানকে বলতে শুনা যায়,ঢাকা চট্টগ্রাম উত্তর বঙ্গের গাড়ি গুলো এসে আমাদের মাসিক টাকা দিয়ে যায়।
এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টি আই ফারুকের ক্যাশিয়ার মান্নান বলেন,এগুলো সব মিথ্যা। এইখানে চাকুরী করি,সহযোগীতা করি স্যারের,আর স্যারের মাসিক টাকাগুলো ওটাই, টি আই এর রুমের ভিতর থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এগুলো মিথ্যা,আপনি এসে এগুলো স্যারকে দেখান।
এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের আরেক সদস্যর নাম এনাম। একটি ভিডিওতে এমান কে বলতে শুনা যায়, আমার কাছে অনেক গাড়ি আছে। প্রায় ৭০০ গ্রাম সিএনজি নিয়ন্ত্রন করেন এই এনাম।
তিনি প্রতিবেদককে মানথি গাড়ির পুরো লিষ্ট দেখান।
আরেক ভয়ংকর চাদাবাজের নাম বদি। ৫০০ টি গ্রাম সিএনজি নিয়ন্ত্রন করেন এই বদি। কথা বার্তার ফাকে বদি বলেন,বিএনপি ক্ষমতায় সবই আমি নিয়ন্ত্রণ করবো।
কপি পোস্ট।