1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
এতেকাফ শব্দটি আরবি। এর অর্থ অবস্থান করা। কালীগঞ্জে ছাত্রদল নেতা প্রিন্সের পিতার দাফন সম্পন্ন তানোরে তুলার গুদামে আগুন, সব পুড়ে শেষ।  মিঠাপুকুরে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা।  কালীগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আলোচনা সভা গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক একে এম ফজলুল হক মিলনের পক্ষ থেকে অগ্রিম ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন ছাত্র নেতা হিমেল খাঁন  জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা নরসিংদী জেলা শাখা কমিটির পরিচিতি সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  মঞ্চ থেকে টেলিভিশনে: ২৫ বছরের অভিনয় জীবনের আলোচিত মুখ রাজা হাসান শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুলসহ তার ভাই সন্ত্রাসী ছিনতাইকারী শাবুসহ আটক-৩: সিএমপি ডিবি (উত্তর)  প্রবেশ করতে শুরু করে যৌথ বাহিনী। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা

এতেকাফ শব্দটি আরবি। এর অর্থ অবস্থান করা।

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি 
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

 

পরিভাষায় এতেকাফ বলা হয় আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করা। কদরের রাত প্রাপ্তির আকাঙ্খায় মহান আল্লাহর একান্ত সান্নিধ্যে লাভের জন্য রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করা নবীজির সুন্নাত।

 

🌟এতেকাফের উদ্দশ্য তিনটি

১. আল্লাহতায়ালার হুকুম পালন করার মাধ্যমে রবের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা।

২. অপ্রয়োজনীয় ও অহেতুক কাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখার চর্চা করা।

৩. লায়লাতুল কদর তালাশ করা।

 

 

🌟এতেকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত:

এতেকাফকারী ব্যক্তি দুনিয়ার সবার নিকট থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এবং সকলের থেকে দূরত্ব অবলম্বন করে আপন মালিকের ঘরে অবস্থান করে থাকে। তাঁকেই স্মরণ করে, তারই ধ্যানে মগ্ন থাকে, তারই তাসবীহ ও প্রশংসা করে, তার দরবারে তওবা ইস্তেগফার করে, নিজের অন্যায় অপরাধ ও গুনাহার জন্য কান্নাকাটি করে, দয়াময় মালিকের কাছে রহমত ও মাগফেরাত প্রার্থনা করে, তার সন্তুষ্টি ও নৈকট্য কামনা করে।

 

এটি রমজানের একটি বিশেষ নেক আমল যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিনা প্রয়োজনে কখনো ছাড়েননি। তিনি নিজেও করেছেন এবং তার স্ত্রীগণও করেছেন। আয়েশা রা. বলেন, ‘রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশকে এতেকাফ করতেন। তার এই রীতি মৃত্যু পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। পরবর্তীতে তার স্ত্রীগণও এতেকাফ করেছেন।’ ( বুখারী ২০২৪ মুসলিম ১১৭২)

 

আবু হুরাইরা (রা.) বলেন, নবী (স.) প্রত্যেক রমজানের শেষ ১০ দিন এতেকাফ করতেন; কিন্তু তার ইন্তেকালের বছরে তিনি ২০ দিন এতেকাফ করেন। (বুখারী ২০৪৪)

 

🌟এতেকাফ তিন প্রকারঃ

সুন্নত এতেকাফ:

রমজান মাসের শেষ ১০ দিনের এতেকাফ সুন্নতে মোয়াক্কাদা আলাল কেফায়া। অর্থাৎ মহল্লার যে কোনো একজন এতেকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে এতেকাফ আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু মহল্লার একজন ব্যক্তিও যদি এতেকাফ না করে তবে মহল্লার সবার সুন্নত পরিত্যাগের গোনাহ হবে। -দুররে মুখতার: ২/৪৪০

২১ তারিখের রাত থেকে ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা পর্যন্ত এই এতেকাফের সময়। রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রত্যেক বছর এই দিনগুলোতেই এতেকাফ করতেন। এ কারণে এটাকে সুন্নত এতেকাফ বলা হয়।

ওয়াজিব এতেকাফ

 

🌟মান্নতের এতেকাফ ওয়াজিব।

আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তারা যেন তাদের মানৎ পূর্ণ করে। ’ (সূরা হজ: ২৯)

তাতে কোনো শর্ত থাকুক বা না থাকুক। যেমন- কেউ বললো, ‘আমার এই কাজ সমাধা হলে আমি এতেকাফ করবো’, এতে যেমন এতেকাফ ওয়াজিব হবে ঠিক তেমনই কেউ যদি বলে- ‘আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এতেকাফ করবো’, এ অবস্থাতেও এতেকাফ করা ওয়াজিব বলে সাব্যস্ত হবে। -ফাতাওয়া হিন্দিয়া: ১/২১৩, দুররে মুখতার: ২/৪৪১

 

🌟নফল এতেকাফঃ

উপরোক্ত দুই প্রকার এতেকাফ ছাড়া বাকি সব এতেকাফ নফল। এ এতেকাফ মানুষ যেকোনো সময় করতে পারে। অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য এতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করা। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। যতক্ষণ চায় করতে পারে। রোজারও প্রয়োজন নেই। এমনকি যখনই মসজিদে প্রবেশ করবে নফল ইতেকাফের নিয়ত করা সুন্নাত।

 

 

🌟এতেকাফের সময়সীমাঃ

১. ওয়াজিব এতেকাফ এর নির্ধারিত কোন সীমা নাই, ব্যক্তি যে কয়দিন মানত করবে, যে সময় মানত করবে, যে উদ্দেশ্য মানত করবে, সেই মানতের অনুসারে যথাযত ভাবে আদায় করা ওয়াজিব। তবে রোজা রাখা শর্ত। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) বলেন, হযরত উমর (রা.) রাসূলুল্লাহ (স.) কে বললেন, আমি ইতিপূর্বে একদিনের এতেকাফের মানত করেছিলাম। এখন তা পুরা করতে চাই। তখন রাসূলুল্লাহ (স.) তাকে রোজাসহ এতেকাফ আদায়ের নির্দেশ দিলেন।

(সুনানে কুবরা, বায়হাকী ৪/৭৭৩, মুসতাদরাকে হাকেম ২/৮১)

 

২. সুন্নাত এতেকাফ হলো পবিত্র রমজানের এতেকাফ। শেষ দশকে রাসুল (সা) যে এতেকাফে করেছেন সেটি হলো সুন্নাত মুয়াক্কাদা কেফায়া।

 

শেষ দশকে গুরুত্বের সঙ্গে এতেকাফের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি কদরের রাতের সন্ধানে প্রথম ১০ দিন এতেকাফ করলাম। এরপর এতেকাফ করলাম মধ্যবর্তী ১০ দিন। অতঃপর ওহি প্রেরণ করে আমাকে জানানো হলো যে তা শেষ ১০ দিনে। সুতরাং তোমাদের যে এতেকাফ পছন্দ করবে, সে যেন এতেকাফ করে।’ এরপর মানুষ তাঁর সঙ্গে এতেকাফে শরিক হয়। (মুসলিম, হাদিস : ১৯৯৪)

 

৩. নফল এতেকাফ বছরের যে কোন সময় এতকাফের নিয়ত করে করা যায়।

 

উপরোক্ত দুই প্রকার এতেকাফ ছাড়া বাকি সব এতেকাফ নফল। এ এতেকাফ মানুষ যেকোনো সময় করতে পারে।

 

 

🌟এতেকাফের শর্ত‌ঃ

এতেকাফ শুদ্ধ হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে।

১. নিয়ত করা:

নিয়ত ছাড়া সারাজীবন মসজিদে অবস্থান করলেও এতেকাফ হবে না।

 

প্রত্যেক ইবাদাতের জন্য নিয়ত করা ফরজ। নিয়ত মানে হচ্ছে মনের সংকল্প। আর তার স্থান হল অন্তর; মুখ নয়। রাসূলুল্লাহ (স.) ও তার সাহাবীদের কেউই কোন নির্দিষ্ট শব্দ মুখে উচ্চারণ করতেন না। যেকোন ইবাদাতের জন্য মনে মনে সংকল্প করলেই নিয়ত হয়ে যাবে; মুখে কিছু উচ্চারণের প্রয়োজন নেই।

 

২. এতেকাফ মসজিদে হতে হবে:

যেহেতু আল্লাহ তায়ালা এতেকাফের সাথে মসজিদের কথা উল্লেখ করেছেন। যেমন আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর মসজিদে এতেকাফরত অবস্থায় তোমরা স্ত্রীর নিকট গমন করো না। (সুরা বাকারা; ১৮৭)

 

🌟মসজিদের ক্ষেত্রে সর্বোত্তম স্থানঃ

ক. এতেকাফের জন্য সর্বোত্তম স্থান হলো, মসজিদে হারাম।

খ. এরপর মসজিদে নববি।

গ. এরপর বায়তুল মুকাদ্দাস।

ঘ. তারপর জামে মসজিদ।

ঙ. মহিলাদের যদি মসজিদে এতেকাফের সুযোগ হয়, এবং পরিবেশ সার্পোট করে, তাহলে তারা মসজিদে করবে। আর যদি ফেতনার আশংকা থাকে তাহলে মহিলারা নিজ গৃহের এক কোণায় নামাজের স্থানে এতেকাফ করতে পারবেন।

 

বি:দ্র: বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে এতেকাফের জন্য স্বামীর অনুমতি নিতে হবে। স্বামীর অনুমতি ছাড়া এতেকাফ শুদ্ধ হবে না।

 

৩। পবিত্রতা: এতেকাফকারীকে (বীর্যপাত, মাসিক বা নেফাস-জনিত কারণে ঘটিত) বড় নাপাকি থেকে পবিত্র থাকতে হবে।

 

৪। মুসলিম হওয়া শর্ত: কেননা এ বিধান অমুসলিমের জন্য প্রযোজ্য নয়।

 

🌟এতেকাফকারীর জন্য যা করা বৈধ:-

১। অতি প্রয়োজনীয় ব্যাপারে এতেকাফকারী মসজিদ থেকে বের হতে পারে। যেমন পানাহার করতে, পরনের কাপড় আনতে এবং পেশাব পায়খানা করতে বের হওয়া বৈধ। তদনুরূপ শরয়ী প্রয়োজনে; যেমন নাপাকীর গোসল করতে অথবা ওযু করতে মসজিদের বাইরে যাওয়া বৈধ।

 

আয়েশা (রা) বলেন, (এতেকাফের সময়) রাসূলুল্লাহ (র.) ব্যক্তিগত প্রয়োজন ছাড়া ঘরে আসতেন না।

 

তিনি আরো বলেন, এতেকাফকারীর জন্য সুন্নত হল, সে কোন রোগীকে দেখতে যাবে না, কোন জানাযায় অংশগ্রহণ করবে না, স্ত্রী সহবাস করবে না, আর অতি প্রয়োজন ছাড়া মসজিদ থেকে বের হবে না।

(আদাবুল মুফরাদ ২১৬০)

 

২। মসজিদের ভিতরে এতেকাফকারী পানাহার করতে ও ঘুমাতে পারে। তবে মসজিদের পবিত্রতা ও পরিচ্ছন্নতার খেয়াল অবশ্যই রাখতে হবে। নিজের অথবা অন্যের প্রয়োজনে বৈধ কথা বলতে পারে।

 

৩। মাথা আঁচড়ানো, লম্বা নখ কাটা, দৈহিক পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখা, সুন্দর পোশাক পরা, আতর ব্যবহার করা ইত্যাদি কর্ম এতেকাফকারীর জন্য বৈধ।

 

মহানবী (স.) এতেকাফ অবস্থায় নিজের মাথাকে মসজিদ থেকে বের করে হুজরায় আয়েশার সামনে ঝুঁকিয়ে দিতেন এবং তিনি মাসিক অবস্থাতেও তার মাথা ধুয়ে দিতেন এবং আঁচড়ে দিতেন।

(বুখারী ২০২৮, ২০৩০, মুসলিম ২৯৭)

 

৪। এতেকাফ অবস্থায় যদি পরিবারের কেউ এতেকাফকারীর সাথে মসজিদে দেখা করতে আসে, তাহলে তাকে এগিয়ে বিদায় দেওয়ার জন্য মসজিদ থেকে বের হওয়া বৈধ। হযরত সাফিয়্যাহ মহানবী (স.) এর সাথে দেখা করতে এলে তিনি এরূপ করেছিলেন। (বুখারী ২০৩৫, মুসলিম ২১৭৫)

 

 

🌟এতেকাফ ভঙ্গের কারণ:-

১। অতি প্রয়োজন ছাড়া মসজিদ থেকে সামান্য ক্ষণের জন্যও ইচ্ছাকৃত বের হলে এতেকাফ নষ্ট হয়ে যায়; যেহেতু মসজিদে অবস্থান করা এতেকাফের জন্য অন্যতম শর্ত বা রুকন।

 

২। স্ত্রী-সহবাস করে ফেললে এতেকাফ বাতিল। কারণ মহান আল্লাহ বলেন,

 

আর মসজিদে এতেকাফরত অবস্থায় তোমরা স্ত্রী-গমন কোরো না। এ হল আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। (সূরা বাকারা; ১৮৭)

 

৩। জ্ঞানশূন্য হয়ে গেলে এতেকাফ বাতিল হয়ে যায়। কারণ তাতে মানুষের ভালো-মন্দের বুঝ থাকে না।

 

৪। মহিলাদের মাসিক বা নেফাস শুরু হলে এতেকাফ বাতিল হয়ে যায়। কারণ, পবিত্রতা একটি শর্ত।

 

৫। কোন কথা বা কর্মের মাধ্যমে শিরক, কুফর করলে বা মুরতাদ হয়ে গেলে এতেকাফ বাতিল হয়ে যায়।

 

মহান আল্লাহ বলেন, তুমি শিরক করলে তোমার আমল নষ্ট হয়ে যাবে। (সূরা যুমার; ৬৫)

 

🌟এতেকাফে করণীয়:-

নিম্নোক্ত কাজগুলো এতেকাফের সময় করা উত্তম।

১. সম্ভব হলে মসজিদুল হারাম ও মসজিদ-ই-নববীতে এতেকাফ করা।

২. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত করা।

৩. হাদিসে নববী ও নবীজি (সা.)-এর জীবনী পাঠ করা

৪. প্রয়োজনীয় ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনে সচেষ্ট হওয়া।

৫. আলেম হলে সাধারণ এতেকাফকারীদের দ্বীনি শিক্ষায় সহযোগিতা করা।

৬. তাহাজ্জুদসহ অন্যান্য নফল নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া।

৭. আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য বেশি বেশি দোয়া করা।

 

 

🌟এতেকাফের কাযা আদায়ের পদ্ধতি:-

যে ব্যক্তি নফল এতেকাফ শুরু করার পর ভঙ্গ করে তার জন্য তা কাযা করা মুস্তাহাব। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি নযর বা মানতের এতেকাফ শুরু করার পর কোন অসুবিধার কারনে ভঙ্গ করে, সুযোগ ও সামর্থ্য হলে তার জন্য তা কাযা করা ওয়াজিব। কিন্তু তা কাযা করার পূর্বেই সে যদি মারা যায়, তাহলে তার পক্ষ থেকে তার নিকটবর্তী ওয়ারেস কাযা করবে আদায় করবে।

 

 

🌟পারিশ্রমিক দিয়ে এতেকাফ করানো:-

কোনো কোনো এলাকায় দেখা যায়, রমযানের শেষ দশ দিনে এলাকাবাসী কেউ এতেকাফ না করলে অন্য এলাকা থেকে বা নিজ এলাকা থেকে কোনো দরিদ্র ব্যক্তিকে খাবার ও পারিশ্রমিক দিয়ে এতেকাফ করানো হয়। এ কাজটি ঠিক নয়। পারিশ্রমিকের মাধ্যমে এতেকাফ করালে এতেকাফ সহীহ হয় না।

 

এতেকাফ একটি ইবাদত, যা বিনিময়যোগ্য নয়। তাই এতেকাফের জন্য বিনিময় নেওয়াও জায়েয নেই। ফলে কাউকে বিনিময় দিয়ে এতেকাফ করালে এতেকাফ সহীহ হবে না এবং এর দ্বারা এলাকাবাসী দায়মুক্ত হতে পারবে না।

 

আমরা জানি, রমযান মাসের শেষ দশ দিন এতেকাফ করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়াহ। যদি কোনো মসজিদে একজনও এতেকাফে বসে তাহলে এলাকাবাসী সুন্নত তরকের গুনাহ থেকে বেঁচে যাবে। আর যদি একজনও এতেকাফ না করে তাহলে ঐ এলাকার সকলেই সুন্নত তরককারী বলে গণ্য হবে।

 

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বিষয়গুলি সঠিকভাবে বুঝার ও আমল করার তাওফীক দান করুক

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com