**সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার ছৈয়দুল করিম খানের প্রতিবেদন চট্টগ্রাম**
সবে মাত্র কৈশোরে পা রাখা ১৭ বছরের টগবগে তরুণ কায়েব নেওয়াজ ছাহিম,একটি দুর্ঘটনা ও ঘাতক কাভার্ড ভ্যানের বেপরোয়া গতি আজ তার জীবনের চাকা থমকে দিয়েছে, **গত ২৯ মার্চ রাতে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন কালামিয়া বাজার এলাকায় রাস্তা পার হওয়ার সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২৪-৩৪০৯ নম্বরের** একটি কাভার্ড ভ্যান তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়,এতে ছাহিমের বাম পা মারাত্মকভাবে পিষ্ট হয়,
বর্তমানে একটি বেসরকারি হাসপাতালে যন্ত্রণায় ছটফট করছে কিশোর ছাহিম।
**চিকিৎসকরা জানিয়েছেন**
তার পা রক্ষা করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ,জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হলেও পা সচল করতে প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদী এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল চিকিৎসা,কিন্তু এই বিপুল পরিমাণ টাকা জোগাড় করা ছাহিমের পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে,ছেলের পা বাঁচাতে গিয়ে ইতোমধ্যে সঞ্চিত সব অর্থ শেষ করে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার মধ্যবিত্ত পরিবারটি,
**প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও বিআরটিএ র কাছে ভুক্তভোগীদের অনুরোধ**
দুর্ঘটনার পর বাকলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জি.ডি ১১৮৭ ) করা হলেও এখন পর্যন্ত ঘাতক কাভার্ড ভ্যানটির মালিকপক্ষ কোনো দায়িত্ব নেয়নি,**ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, বিআরটিএ (BRTA) এবং পুলিশ প্রশাসনের উচিত গাড়ির নম্বর (ঢাকা মেট্রো-ট ২৪-৩৪০৯) অনুযায়ী দ্রুত মালিককে শনাক্ত করে চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে বাধ্য করা**,এই কিশোরের ভবিষ্যৎ যেন নষ্ট না হয়,সেজন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ ও ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা চেয়েছেন তারা,
**মানবিক সহায়তার আবেদন**
পরিবারের একমাত্র আশা এখন সমাজের দানশীল ব্যক্তি ও বিত্তবানদের ওপর,সামান্য একটু আর্থিক সহযোগিতা হয়তো ছাহিমকে আবারো নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করবে,তার অসহায় বাবা-মা চোখের পানি মুছতে মুছতে বলেন,আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি,প্রশাসন যদি গাড়িটি ধরে আমাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে দিত এবং সমাজের মানুষ যদি একটু পাশে দাঁড়াতো, তবে আমার ছেলেটা পঙ্গু হওয়া থেকে বেঁচে যেত।
**সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ**
ছাহিমের চিকিৎসায় সাহায্য পাঠাতে বা তার পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সরাসরি যোগাযোগ করুন:
(পরিবারের মোবাইল নম্বর ০১৫৭৭৪৮২৬৬৪ ....
(বিকাশ পার্সোনাল নাম্বার +8801577482664 ...)
আসুন,একটি সম্ভাবনাময় প্রাণকে পঙ্গুত্বের অভিশাপ থেকে বাঁচাতে আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই।