1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,মাদক ও নগদ অর্থ সহ নরসিংদীর শিবপুরে সাত জনকে গ্রেফতার উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

কাস্টমস হাউস, কমিশনার মহসিন খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এবং তার নামে বেনামী বাড়ি, গাড়ি এবং অন্যান্য সম্পত্তি রয়েছে।

সহকারী সিক্রেট রিপোর্টার চাঁন মিয়া
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ মার্চ, ২০২৫
  • ৩৩৭ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সহকারী সিক্রেট রিপোর্টার
চাঁন মিয়া

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মহসিন খানের বিরুদ্ধে। তিনি তার নামে বাড়ি, গাড়ি এবং অন্যান্য সম্পদের মালিক। দুর্নীতি দমন কমিশনে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার অভিযোগ দায়ের করা সত্ত্বেও তার কিছুই হচ্ছে না। প্রতিদিন তার বিরুদ্ধে নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। মহসিন বিভিন্ন লোককে বলতে থাকেন যে তার হাত খুব শক্তিশালী। সাংবাদিকদের তার ক্ষমতা সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই। সংবাদপত্রে খবর দিয়ে কিছুই করা যায় না। অফিসের টেলিফোনে মন্তব্য করতে বলা হলে, উল্টো প্রতিবেদককে মামলার হুমকি দেন। মহসিন বলল, যতটা সম্ভব খবর রাখো, আগামী বৃহস্পতিবার আমি তোমার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করব। বিভিন্ন সরকারি অফিসে আমার কয়েক ডজন বন্ধু ফোন করে বলেছে যে তারা কিছুই করতে পারবে না। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন যে লোকটির পরিবারকে একসময় তিনবেলা খাবারের জন্য লড়াই করতে হত, কিন্তু জাদুর ছোঁয়ায় মাত্র দুই থেকে তিন বছরে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। লাধারণ এই পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন। কিছু কর্মকর্তা সরকারি প্রতিষ্ঠানের বদনাম করেন, এবং কিছু অসাধু কর্মকর্তা লাভবান হন। তাদের মধ্যে একজন হলেন কাস্টমস কমিশনার মহসিন খান। তিনি বলেন, রাজা রাজা। পাড়ার লোকেরা তার প্রাসাদসম বাড়ি দেখতে আসত। মহসিন খান তার গ্রামে কমপক্ষে ৫ কোটি টাকার সম্পদ কিনে রেখে গেছেন, যার মধ্যে একটি প্রাচীর ঘেরা পুকুর ঘেরা তার তিনতলা বাড়িও ছিল বিদেশী স্টাইলে। বাড়ি তৈরিতে কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয়েছিল, কিন্তু বাড়িতে একজনও লোককে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে মহসিন খানের ছোটবেলার বন্ধু সেলিমের সাথে কথা বলুন, তারা এসএসসি পর্যন্ত একসাথে পড়াশোনা করেছেন। তিনি বলেছিলেন যে মহসিন ছোটবেলা থেকেই একজন মেধাবী ছাত্র ছিলেন। একসময় টাকার অভাবে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব ছিল। তার ভাইয়েরা তার লেখা পড়ার বিরুদ্ধে ছিলেন কারণ তারা মাঠে ছিলেন।

কোনও কাস্টমস কালেক্টর (বর্তমানে কমিশনার) পদ ছিল না। কলকাতা কাস্টম হাউসে কালেক্টরের একটি পদ ছিল। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস কলকাতা কালেক্টরের নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেই সময় দেশের বৃহত্তম কাস্টম হাউসের দায়িত্বে ছিলেন কেবল একজন ডেপুটি কালেক্টর এবং তিনিই সমগ্র কাস্টমস কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান ব্রিটিশদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। দেশভাগের সময় কলকাতা কাস্টমসের কালেক্টর ছিলেন বিসি দে নামে এক ভদ্রলোক। ইতিহাস থেকে জানা যায় যে, ১৯৪৭ সালের ১৮ আগস্ট এ. ই. রাইটকে চট্টগ্রামের কাস্টম হাউসের কালেক্টর নিয়োগ করা হয়। পাকিস্তান সৃষ্টির পর, তিনি আবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে কালেক্টর হিসেবে নিয়োগ পান। ১৯৭১ সালে, মহান মুক্তিযুদ্ধের পর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর, পিও অর্ডার ৭৬/৭২-এ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গঠিত হয়। তার অধীনে কাস্টমস বিভাগ তৈরি করা হয়। ১ জুলাই, ৯৫ তারিখে, কালেক্টরের পদ পরিবর্তন করে কমিশনার করা হয়। জানা গেছে, প্রথম কমিশনার ছিলেন আজিজুর রহমান (তিনি শেষ কালেক্টরও ছিলেন)। নির্ঘাদিনের পর থেকে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি যিনি অতিরিক্ত কালেক্টর হিসেবে তার মেয়াদকালে কালেক্টরের পূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। অবসর গ্রহণের পরেও তিনি থাকবেন বলে জানা গেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com