1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত যৌথবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র,মাদক ও নগদ অর্থ সহ নরসিংদীর শিবপুরে সাত জনকে গ্রেফতার উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

রেলের দুর্নীতির জেরে ছাত্রদল নেতা প্রশ্নবিদ্ধ : সাংবাদিকতায় বাঁধা মিশ্র প্রতিক্রিয়া জনমনে

বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ১২৮ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ রেলওয়ের দুর্নীতি লুটপাট অনিয়মের জেরে তথ্য অনুসন্ধানে সরজমিনে সংবাদ সংগ্রহের জেরে গণমাধ্যমকর্মী সাংবাদিকদের প্রতি ছাত্রদল নেতার দাপট ক্ষিপ্ততা। তথ্য প্রদানে বাঁধা ছাত্রদল পরিচয় নেতার প্রশ্নবিদ্ধ অবস্থান। স্বাধীন সংবাদ সংগ্রহে বাঁধা মাঠে ময়দানে নিরাপদ দায়িত্ব পালন পেশাগত সাংবাদিক নিরাপত্তাহীনতা। পেশাগত ঝুঁকিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সাংবাদিক মহল ও জনসাধারণ জনমনে।

অভিযুক্ত ছাত্রদল পরিচয় দেওয়া শামসুদ্দিন গং পরবর্তীতে সমাধানের নামে সংবাদ প্রকাশে বাঁধা রফাদফা করার অপচেষ্টা । প্রয়োজনে হলে সাংবাদিকদের ডিমান্ড কি, কি লাগবে, চাহিদা কি, নানা কৌশলে প্রলোভন দেখিয়েছেন বলে ভুক্তভোগী সাংবাদিকের দাবি অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা গং। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও সাংবাদিক পরিবারদের হুমকি ধামকি প্রদান করে আসিতেছে বলেও দাবি ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক ডিআরএম’র কাছে বক্তব্য নিতে গেলে, তার কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল নেতা পরিচয়দানকারী শামছুদ্দিন শামছু প্রকাশ কানা শামছু এসে সংবাদকর্মীদের ভেতরে প্রবেশে বাঁধা দেয়।

রেলের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহে গেলে গণমাধ্যম কর্মীদের উপর ক্ষিপ্ত হয়েছেন কথিত ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তার শংকায় থানায় জিডি করেন সংবাদকর্মীরা।
চট্টগ্রামে রেলওয়ে কর্মকর্তা জিল্লুর রহমানের দুর্নীতি আর অনিয়মের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কথিত ছাত্রদল নেতার হুমকি আর বাঁধার মুখে পড়েন
৪ সংবাদকর্মী।

এর আগে মুঠোফোনে ডিআরএম কার্যালয়ে সাংবাদিকদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে সেখানে ছুটে আসেন এই কথিত নেতা। একপর্যায়ে সে নিজেকে ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক দাবী করে জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে নিউজ না করতে হুমকি দিয়ে ভেতরে প্রবেশে বাঁধা দেয় এবং সাংবাদিকরা প্রেস ক্লাবের সদস্য কিনা তা জানতে চেয়ে পরিচয় পত্র দেখাতে বলে তাকে। এমনকি নিউজ প্রকাশ করলে সংবাদকর্মীদের দেখে নেয়ার হুশিয়ারি দেন এই তথাকথিত ছাত্রদল নেতা।
সে নিজেকে জিল্লুর রহমানের ছোট ভাই দাবি করে বলেন, আপনারা সাংবাদিকরা রেলওয়ের বিরুদ্ধে এত নিউজ কেন করছেন? আপনারা এসব ঠিক করছেন না।

এই ছাত্রদল পরিচয় দানকারী কথিত নেতা রেলের অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহকারী উপস্থিত সংবাদকর্মীদের ভুয়া সাংবাদিক বলে অকথ্য ভাষা ব্যবহার করতে থাকে। পরে প্রেস ক্লাবের সদস্য পরিচয় দান করে জসিম নামের এক ব্যক্তিকে কল দিয়ে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের পরিচয় দিলে অপরপ্রান্ত থেকে তিনি কল কেটে দেয়।

এরপরে প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহেদুল করিম কচিকেও ফোন দিয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে ফোনে সংযোগ করে দেন। সংবাদকর্মীদের তিনি ফোনে জানান,
যথাযথ ডকুমেন্টস থাকলে নিউজ করতে বলে তিনিও কল কেটে দেয়।

পরবর্তীতে এই কথিত ছাত্রদল নেতা নিজের মোবাইলে উপস্থিত সংবাদ কর্মীদের চাঁদাবাজ আখ্যায়িত করে ভিডিও করতে থাকে। ধারণকৃত ভিডিও সে তার
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক আইডি থেকে মিথ্যা ক্যাপশন বিভিন্নজনকে ট্যাগ দিয়ে ছড়িয়ে দেয়।

উক্ত বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল পরিচয়ধারি শামশুদ্দিনকে মোঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করলেও সে ফোন ধরেনি।

এ বিষয়ে নগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব তুহিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, শামছুদ্দিন ও সাংবাদিকদের সাথে ঘটনাটি সমাধান হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাকে যদি না মানেন তাহলে তো কিছু করার নাই। এ বিষয়ে পক্ষ বিপক্ষ কারো কোন পরবর্তীতে আপত্তিকর অভিযোগ বা বিরোধিতা নেই বলেও তিনি নিশ্চিত করেছেন। তিনি যতটুকু জানেন। তিনি উভয়পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতা হয়েছে এবং সমাধান করে নেওয়ার জন্যও তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। বিষয়টি নিয়ে যাতে পরবর্তীতে ভবিষ্যতে নেগেটিভ ভাবে কেউ-ই আর সমালোচিত না হয়। দু-একটা দিন তিনি ধৈর্য ধরতে বলেছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, তাদের অফিসেও তারা রফা দফার জন্য দলবল নিয়ে তকবির অপচেষ্টা চালিয়েছে। এবং যেকোনো বিনিময়ে এ বিষয়টি ধামাচাপা করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন নিউজ না করার জন্য প্রয়োজনে কি দিতে হবে তাও তারা চ্যালেঞ্জ করেছেন।

সংবাদকর্মীরা হুমকি প্রদান কারী ছাত্রদল নেতা শামছুদ্দিন এর বিরুদ্ধে খুলশী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এরপর থেকে সংবাদকর্মী মো. রুবেলের পরিবারকেও নানান ভাবে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে শামছুদ্দিন গং।

উল্লেখ্যঃ
তথ্য সংগ্রহে গিয়ে ছাত্রদল পরিচয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে এমন ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সচেতন সাংবাদিক মহল। সেই সাথে শামছুদ্দিন ও তাকে আশ্রয় প্রশ্রয় দানকারী উস্কানিদাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামে কর্মরত অন্যান্য সচেতন সাংবাদিকরা।

সাধারণত, সরকারি বেসরকারি দপ্তরের অপরাধ অন্যায় অনিয়ম দুর্নীতি লুটপাট তথ্য সত্যতার খবর পাওয়া যায় কমবেশি সারাদেশ জুড়ে। সত্য তায় প্রকাশ করার গত ১৭ বছর স্বৈরাচার সরকারের আমলে ছিলনা অধিকার মত প্রকাশের স্বাধীনতা। ছিলনা গণতান্ত্রিক অধিকারের পূর্ণ স্বাধীনতা। সরকার পতনের পর থেকে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের পরিবর্তন সর্বক্ষেত্রেই হচ্ছে রদবদল। ক্ষমতার পালা বদলে ইতিবাচক নেতিবাচক ভুমিকা অবস্থান নিয়েছে কথিত রাজনৈতিক নেতাকর্মী সংশ্লিষ্ট মহল । প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে মূল ধারার ত্যাগী নেতাকর্মীরা।

যা এখন প্রকাশিত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। যা সমালোচিত হচ্ছে গণমাধ্যম সোশাল মিডিয়া দেশ-বিদেশে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। ঘটনার নেপথ্যে প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে জড়িতদের রাজনৈতিক ছত্রছায়া অপক্ষমতায ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চলছে। পক্ষ বিপক্ষের মুখে মুখে সাধারণ জনতার মাঝে। বলছি, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠে এসেছে ৪ সংবাদকর্মীর সাথে ছাত্রদল নেতা পরিচয় নামধারী শামসুদ্দিন সামসু নামে এক ব্যক্তি গণমাধ্যম কর্মীদের সংবাদ সংগ্রহের বাঁধা ক্ষিপ্ত হতে দেখা যায়। তার মতে তারা কথিত সাংবাদিক অযথা সরকারি দপ্তরে হয়রানি অসৎ উদ্দেশ্যে অপেশাদার আচরণ সক্রিয়তা সংক্রান্তে সমালোচনা করে সম্বোধন করতে দেখা যায় । এক পর্যায়ে একে অপরকে চাঁদাবাজি সম্বোধনেও ভিডিও ধারণের চিত্র সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার প্রকাশ করে। একে অপরের তর্কবির্তক দ্বন্দ্ব করতে দেখা যায় । যা তীব্র সমালোচনা ইতিবাচক নেতিবাচক মন্তব্য করে পক্ষে-বিপক্ষে মতামত অনুভূতি প্রকাশ করতে দেখা যায়।

যা কিনা রেলওয়ে দপ্তরের দুর্নীতি অনিয়মের পরিমাণ কেমন ছিল। যার রহৎস্য জনক বিশাল ব্যাপক। ওইখানে রাজনৈতিক নেতার অবস্থান সাংবাদিকদের কেন বাঁধা প্রদান। সংশ্লিষ্ট সবকিছুই অস্পষ্ট রহস্যজনক ও ঘোলাটে। যা সরজমিনের তথ্য প্রমাণ বস্তুনিষ্ঠ তথ্যে প্রকাশিত হবে। গণমাধ্যম কর্মী সাংবাদিকদের অবস্থান কতটুকু পেশাদার নীতি নৈতিক আদর্শিক। এ নিয়ে এখনো চলছে সমাধানের নামে মূল ঘটনা ধামাচাপার অপচেষ্টা। নিয়েও অনেকে আলোচনা সমালোচনা করতে দেখা যায়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সংবাদকর্মীরা হুমকি প্রদান কারী ছাত্রদল নেতা শামসুর বিরুদ্ধে খুলশী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এবং একাধিক সাংবাদিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com