1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

 ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক আহত, সিন্ডিকেটের চাপে মামলা নিচ্ছে না বাকলিয়া থানার পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট

ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতির অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক আহত, সিন্ডিকেটের চাপে মামলা নিচ্ছে না বাকুলিয়া থানার পুলিশ

গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ক্রমাগত হামলা ও হয়রানির ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে। গত (৩০ এপ্রিল) বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে দুর্নীতি ও অনিয়মের অনুসন্ধান করতে গিয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট, চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ওসমান এহতেসাম এবং সাংবাদিক মো. জাহাঙ্গীর আলম নির্মমভাবে হামলার শিকার হন।

 

ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতি ও অনিয়মের ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ করার সময় ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের সচিব সমর কৃষ্ণ দে এবং জন্মনিবন্ধন সহকারী মো. মনসুরুল আলম মানিকের নির্দেশে বাকলিয়া থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল বারেক ও তার সহযোগীরা (ফারুক, কবির ও সোহাগ) সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাদের ক্যামেরা ও স্ট্যান্ড ভেঙে ফেলে, নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে বাকলিয়া থানা পুলিশের সহায়তায় মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা গেলেও টাকা ও সাংবাদিকতার অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার হয়নি। পরবর্তীতে আহত জাহাঙ্গীর আলম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

 

জানা যায়, সাংবাদিকরা ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সহকারী মো. মনসুরুল আলম মানিকের বক্তব্য নেওয়ার জন্য ওয়ার্ড অফিসে যাওয়ার পথে এক ভুক্তভোগী নারীর সাথে দেখা হয় তাদের। ওই নারী সাংবাদিকদের জানান, তিনি ৭০০ টাকার বিনিময়ে একটি জন্মনিবন্ধন সংশোধন করেছেন। এ কথা শোনার পর সাংবাদিকদের অনুরোধে ওই নারীসহ তারা ওয়ার্ড অফিসে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা দেখতে পান, মানিক দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে অফিসের তালা বন্ধ করে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় মানিককে ৭০০ টাকা নেওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা সচিবের সামনে স্বীকার করেন এবং ওই নারীকে প্রথমে ৫০০ টাকা ও পরে আরও ১০০ টাকা ফেরত দেন। এরপরই মানিক ও ওয়ার্ড সচিব ফোন করে ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। সাংবাদিকদের কাছে যারা দুর্নীতির অভিযোগ দিয়েছেন, তারা সবাই এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানা গেছে।

 

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের সর্বস্তরের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ জানান, সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলা গণতন্ত্র ও তথ্যের স্বাধীনতার জন্য হুমকিস্বরূপ। আমরা দোষীদের দ্রুত বিচারের দাবি করছি এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর পদক্ষেপ চাই। এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বাকলিয়ার তিন ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকরা। তাদের দাবি, যারা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন, তারা রাজনীতিবিদ নন, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ। একজন রাজনীতিবিদের কাজ জনগণের সেবা করা, কিন্তু তারা তা না করে ওয়ার্ড অফিস থেকে সাময়িক লাভের জন্য জনগণের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিলেন। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা অতীব জরুরি।

 

সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাংবাদিকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

 

এ ঘটনায় স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিন্তু পুলিশ মুখে তদন্তের কথা বললেও বৃহৎ সিন্ডিকেটের চাপে এখনো পর্যন্ত মামলা নেয়নি।

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তারা বাংলাদেশের অর্জনকে নস্যাৎ করতে চায়। তারা চায়, বিএনপির মতো একটি জনপ্রিয় দলকে বিতর্কিত করতে। এমন সন্ত্রাসী চক্র দলের নাম ব্যবহার করে বলেই আজ এতো সমালোচনা! আমি চাই, আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।

ওসমান এহতেসাম বলেন, আমরা ওয়ার্ড অফিসের দুর্নীতি নিয়ে সাড়ে তিন মাস ধরে অনুসন্ধান চালিয়েছি। আমাদের ঢাকা অফিসে হাজারের অধিক দুর্নীতির ভিডিও প্রমাণ পাঠানো হয়েছে, যা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। জীবন থাকলে কলম চলবেই—জীবন কেড়ে নিলেই কেবল তা থামবে।

 

জনগণের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের জীবনহানির ঝুঁকি নিতে হচ্ছে—এটি কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক সমাজে কাম্য নয়। এই ঘটনা আবারও প্রমাণ করে, সাংবাদিকদের সুরক্ষা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না করলে সুশাসন ও জবাবদিহিতা অর্জন অসম্ভব।

 

সরকার, প্রশাসন ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার এখনই সময়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com