1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি

চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে।

রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক অনুপ্রবেশের অভিযোগচট্টগ্রাম প্রতিনিধি চট্টগ্রামের নুরুজ্জামান রিপন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির গুরুতর অভিযোগ উঠে আসছে। স্থানীয়রা জানান, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে বলেউ জানান । স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের শুরু হয় ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত মুরাদপুর এলাকায় ট্রাভেল এজেন্সির দালালি করার মাধ্যমে। ওই সময় বিদেশে পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিক মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিপনের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে এলাকায় সালিশ দরবার বসে অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে মুরাদপুর থেকে বের করে দেয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তিনি কালুঘাট মোহরায় অবস্থান নেন এবং কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে আবার ক্ষমতার প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম ভাঙিয়ে অটোরিকশা থেকে চাঁদাবাজি, বালুর মহাল নিয়ন্ত্রণ, সিটি কর্পোরেশনের ঠিকাদারি কাজে তদবির ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের ভাষ্য, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে তার নামে-বেনামে একাধিক জায়গা, প্লট ও সম্পত্তি রয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। সূত্রের দাবি, তিনি নিজেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগে পদ পাওয়ার জন্য মেয়রের প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দিয়েছিলেন। সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোর্শেদের সাথে তার ঘনিষ্ঠতার কথাও স্থানীয়রা উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন এলেও নুরুজ্জামান রিপন এলাকায় বহাল তবিয়তে চলাফেরা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বর্তমানে বিএনপিতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছেন এবং বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি দাবি করেন, এমন অভিযোগের মুখে থাকা একজন ব্যক্তি নির্ভয়ে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করলে জননিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তারা দ্রুত প্রশাসনের নজরদারি ও আইনগত পদক্ষেপের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির দাবি স্থানীয়দের চট্টগ্রামে নুরুজ্জামান রিপনের বিরুদ্ধে প্রতারণা, চাঁদাবাজি

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com