

** সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার মো: ছৈয়দুল করিম খান চট্টগ্রাম**
চট্টগ্রামের আসকারদীঘি এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনায় আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে মহানগর গোয়েন্দা ডিবি পুলিশ, এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ,নগদ ৬০ হাজার টাকা এবং চুরির স্বর্ণ বিক্রির টাকায় কেনা একটি বিলাসবহুল রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে
সোমবার ২২ ডিসেম্বর দিনভর নগরের টাইগারপাস,নিউমার্কেট ও আনোয়ারার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়,
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. জসিম (৪৩),মোস্তাকিন হোসেন মিঠু (৪২),সেতু দাস ওরফে সালাহ উদ্দিন (৩২)এবং
মো. ইসমাঈল (৩০)।
**পুলিশ জানায়,গত ৫ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানাধীন আসকারদীঘির পূর্ব পাড় এলাকার রিচ নাহার বিল্ডিং এর একটি ফ্ল্যাটে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে,ভিকটিম পূরবী বিশ্বাসের দাবি,ওই দিন তার বাসা থেকে ২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার,নগদ টাকা ও ল্যাপটপ লুট করা হয়,এ ঘটনায় ১৬ ডিসেম্বর কোতোয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হলে তদন্তে নামে ডিবি পশ্চিম বিভাগের একটি চৌকস টিম,
ডিবি সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রথমে টাইগারপাস এলাকা থেকে জসিম ও মোস্তাকিনকে গ্রেপ্তার করা হয়,পরে জসিমের দেওয়া তথ্যে তার বাসা থেকে চুরিকৃত এইচপি (HP) ব্র্যান্ডের ল্যাপটপটি উদ্ধার করা হয়,
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে এই চক্রের মূল হোতা ★সেতু দাস★ওরফে সালাহ উদ্দিনের নাম,পরে রাতেই আনোয়ারায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়,প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সেতু দাস স্বীকার করেন,আসকারদীঘির বাসা থেকে চুরি করা স্বর্ণ বিক্রির বড় একটি অংশ দিয়ে তিনি শখের রয়্যাল এনফিল্ড মোটরসাইকেল কেনেন,তার দেওয়া তথ্যে মোটরসাইকেলটি এবং আরও নগদ ৬০ হাজার টাকা জব্দ করে পুলিশ,
পরবর্তীতে এই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে নগরের নিউমার্কেট এলাকা থেকে মো.ইসমাঈলকে গ্রেপ্তার করা হয়,ইসমাঈল পুলিশকে জানায়,টেরিবাজারের একটি দোকানে তারা চোরাই স্বর্ণগুলো বিক্রি করেছে,তবে পুলিশ সেখানে অভিযানে যাওয়ার আগেই দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত স্বর্ণ ব্যবসায়ী,
ডিবি পশ্চিম বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন,এই চক্রের সাথে আরও কারা জড়িত এবং পলাতক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন,
পরবর্তীতে সাংবাদিকরা গঠনের বিষয় নিয়ে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন রাখেন, প্রেস ব্রিফিং এ থাকা একজন সাংবাদিক ভুক্তভোগী জানাই আমারও একটি ল্যাপটপ মোবাইল চুরি আমি থানায় গিয়ে মামলা করতে চাইলেও মামলা না নিয়ে একটি অভিযোগ নিয়েছে, কিন্তু বহু মাস পার হয়ে গেল এখনো আমার হয়ে যাওয়া জিনিসগুলো উদ্ধার করতে পারেনি, ডিবি পুলিশ বলেন, আমাদেরকে তথ্য দেন আমরা আপ্যায়ন চেষ্টা করব, এ কথার প্রসঙ্গে ★সিনিয়র সাংবাদিক ছৈয়দুল করিম খান বলেন আমাদের সাংবাদিক ভাইয়ের ল্যাপটপ মোবাইল হারিয়ে গিয়েছিল এখনো পাইনি, আজকে যে মহৎ বড় কাজটি আপনারা করেছেন তার পিছনে কি কোন প্রভাবশালির হাত আছে কিনা,ডিবি বলেন এটা পিছনে কারো হাত নাই আমরা অপরাধীকে আইনের আওতায় আবার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।