1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

ইজারার মাঠ খালি, ব্যস্ত সড়কে পশুর হাট

মোহাম্মদ জামশেদুল ইসলাম
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১২ জুন, ২০২৪
  • ৩৮০ বার পড়া হয়েছে

মোহাম্মদ জামশেদুল ইসলাম

চট্টগ্রাম নগরের স্টিলমিল বাজার থেকে খালপাড় রোড হয়ে আধা কিলোমিটার দূরে টিএসপি মাঠ। মাঠটি পশুর হাটের জন্য ইজারা দিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। পশু তো দূর, মাঠটিতে নেই একটি খুঁটিও। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বাজার বসেছে বিমানবন্দর সড়কের একটি অংশে যুক্ত এম এ আজিজ সড়কে। সড়কের ওপরেই খুঁটি গেড়ে সামিয়ানা দিয়ে হাট বসিয়েছেন সেই ইজারাদার।

ইজাদারের দাবি, ইজারায় পশুরহাটের স্থানে টিএসপি’র মাঠের কথা লেখা থাকলেও বিগত ২৫ বছর ধরে সড়কের ওপরেই বসছে ওই পশুরহাট। এমনকি হাট বসাতে সিটি করপোরেশনকে জামানতও দিয়েছেন তিনি। এছাড়া সড়কের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হলেও দায়ভার নেবেন ইজারাদার।সড়কে পশুর হাট বসানোর বিষয়ে তথ্য না থাকলেও পুলিশ বলছে, কোনো অবস্থাতেই সড়কে তা করা যাবে না। সড়কে পশুর হাট বসানোর তথ্য পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইজারার শর্ত মেনে নির্দিষ্ট স্থানেই হাট বসাতে হবে ইজারাদারদের।
চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পতেঙ্গা থানার টিএসপি মাঠে অস্থায়ী কোরবানি পশুর হাটের ইজারা পেয়েছেন মো. সাইফুদ্দিন লিজয়। তিনি স্থানীয় ৪০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল বারেকের ব্যক্তিগত সহকারী।
মঙ্গলবার (১১ জুন) সরেজমিনে নগরের পতেঙ্গার স্টিলমিল এলাকার ওই পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, পতেঙ্গা থানা থেকে আনুমানিক দেড়শ মিটার দূরত্ব থেকেই শুরু খালপাড় সড়ক। আর সেই সড়কের শুরুতেই বসানো হয়েছে হাটের মূল কাউন্টার। সড়কটি দিয়ে টিএসপি মাঠে (পশুর হাটের নির্ধারিত স্থান) যেতে হাতের বাঁ পাশেই সারিবদ্ধভাবে বাঁশের খুঁটি বসানো হয়েছে সড়কের প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে।

আর সেখানেই গরু বেঁধে রেখেছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা বেপারিরা। সড়কের ওপর রাখা গরুগুলো বেচাকেনা শুরু করে হয়েছে। আর সড়কজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে গরুর বর্জ্য।
এ সময় দেখা গেছে, ওই সড়কে এসে থামছে গরুবাহী ট্রাক। আর সড়ক দিয়ে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করায় পশু নামানোর সময় তৈরি হচ্ছে যানজট। ফলে বিপাকে পড়ছেন সড়ক দিয়ে চলাচলকারী স্থানীয়রা, স্থবির হয়ে যাচ্ছে সড়কে যান চলাচল।
এদিকে, সড়কে পশুর হাট বসানোর ফলে বিপাকে পড়েছেন সড়কের দুপাশের দোকানিরাও। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুদি দোকানি সময়ের কাগজ -কে বলেন, ‘প্রতিবছর টিএসপি মাঠ ইজারা নিয়ে পশুর হাট বসানো হচ্ছে খালপাড়ের এই সড়কে। আমার দোকানের ঠিক সামনেই গরু রাখে। এখন কাস্টমার কিভাবে আসবে? আর দুর্গন্ধের কথা কি বলবো। পুরোপুরি হাট জমে উঠলে এখানে দোকানদারিই করা যাবে না।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুনেছি এবার যে ইজারা নিয়েছেন তিনি কাউন্সিলরের খাসলোক। এগুলো পত্রিকায় লিখলেও কিছু হবে না। সিটি করপোরেশনের ওরা টাকা খেয়ে চুপ হয়ে আছে। এজন্যই কিছুতে কিছু হয় না।’স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘পুলিশ এসব দেখে না? এখান থেকে পতেঙ্গা থানা দেখা যায়। আর সিটি করপোরেশন আমাদের দুর্ভোগ দিয়ে মজা পায়। আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বেতন নেয় আর আমাদেরই কষ্ট দেয়।’

চসিক সূত্রে জানা গেছে, অস্থায়ী পশুর হাট সাতটি শর্তে ইজারা দেয় সিটি করপোরেশন। এর মধ্যে ইজারাদারকে নিজ উদ্যোগে বাজার রক্ষণাবেক্ষণ, হাটের আবর্জনা পরিষ্কার, গাড়ি ও জনসাধারণের চলাচল পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করা, গরু বহনকারী গাড়ি রাস্তায় দাঁড় করিয়ে ওঠা-নামা না করানো হচ্ছে উল্লেখযোগ্য শর্ত। এছাড়া গরু বহনকারী গাড়ি ব্যাপারিরা তাঁদের ইচ্ছা অনুযায়ী যেকোনো হাটে নিতে পারবেন বলেও শর্তে উল্লেখ থাকে।

সরেজমিনে স্টিলমিল পশুর হাটের মূল ইজারার স্থান অর্থাৎ পূর্ব হোসেন আহমেদ পাড়া সাইলো রোডের পাশে টিএসপি মাঠে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নেই পশুর হাট বসানোর কোনো প্রস্তুতি। সেখানে শিশু-কিশোররা ফুটবল খেলছে। মাঠের একপ্রান্তে কয়েকটি গৃহপালিত গরু ঘাস খাওয়ানোর জন্যে বেঁধে রাখা হয়েছে।

মাঠের পার্কিং করে রাখা এক ট্রাকচালক বলেন, ‘এখনো এই মাঠে কোনো গরু আনা হয়নি। তবে গরুরহাটের মূল জায়গা এটিই। এখন গরু কম আসায় হয়তো গরু এখনো আনা হয়নি। পরে খালপাড় সড়ক পশুতে পরিপূর্ণ হলে এখানে গরু আনা হতে পারে।’

সড়কে গরুর হাট বসানোর বিষয়ে জানতে চাইলে স্টিলমিল হাটের ইজারাদার মো. সাইফুদ্দিন লিজয় সময়ের কাগজ -কে বলেন, ‘এই সড়কে ১৯৭৯ সাল থেকেই এভাবেই হাট বসানো হচ্ছে। এখানে গাড়ি চলাচলে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। দরকার হয় আপনি (প্রতিবেদক) এসে দেখে যান।’

ইজারায় উল্লেখিত নির্দিষ্ট জায়গা ছাড়া অন্য স্থানে হাট বসানো ইজারার শর্ত পরিপন্থী কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা সিটি করপোরেশনকে ইজারার বাইরেও একটা নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা জামানত হিসেবে দিয়েছি। এই জামানত দেওয়ার কারণ সড়কের ক্ষয়ক্ষতির জন্য। আর কাউন্সিলর সাহেব এই সড়ক আগের তুলনায় বড় করেছেন এখন। তাই হাট বসাতে সমস্যা হয় না।’

তবে জামানত বাবদ কত টাকা দিয়েছেন তিনি তা জানাতে অসম্মতি জানান এই ইজারাদার।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের এস্টেট অফিসার রেজাউল করিম সময়ের কাগজ -কে বলেন, ‘আমি বর্তমানে ঢাকায় রয়েছি। চট্টগ্রাম এসে সরেজমিনে হাটটি পরিদর্শন করবো।’

সড়কে হাট বসানোর নিয়ম আছে কিনা এবং জামানতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জামানতের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, ‘এটা হাইওয়ে রোড হলে পারবে না। ওটা তো মেইন রোড না। আর অনেকসময় মেইনরোড সংলগ্ন সড়কেও পশুর হাট বসে যায়। এগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না আমরা। তবু দেখি কি করা যায়!’

এদিকে জামানত নয়, ইজারাদারের কাছ থেকে সংশ্লিষ্টরা সড়কে হাট বসাতে ‘চা-নাশতার খরচ’ নিয়েছেন বলে মনে করেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, সড়কে হাট বসানোর বিষয়টি শুনেছি। তবে কোনো জামানতের বিনিময়ে নয়, এটি চা-নাশতার খরচ মনে করতে পারেন! এছাড়া ওটা মূল সড়কও না। তাই বসাতেই পারে।’এ বিষয়ে নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) শাকিলা সোলতানা সময়ের কাগজকে বলেন, ‘কোনোভাবেই কোনো হাট রাস্তার ওপর আসবে না। যেখানে যে হাট অনুমোদন পেয়েছে সেখানেই থাকতে হবে। যদি এ ধরনের ঘটনা ঘটে; তবে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেব। আমি সেখানে আমার পুলিশ ফোর্স পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com