
পায়েল আহমদ বাবু
চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানাধীন জালালাবাদ এলাকায় ‘সরকারি দাবিকৃত’ ৮৯ নম্বর পরিত্যক্ত বাড়িটি বেদখলের পথে। সরকারি সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তাদের উদাসীনতা ও গাফিলতির কারণে বাড়িটি যে কোনো সময় হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
গণপূর্ত বিভাগের একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি নথি অনুযায়ী ৮৯ নম্বর পরিত্যক্ত বাড়িটি জেলা আবাসন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন গেজেট-বহির্ভূত সংরক্ষিত পরিত্যক্ত বাড়ি। এই বাড়ির মোট আয়তন ৩০ শতক। যা পূর্ব পাহাড়তলী মৌজার আরএস ৯৩/৯৪ দাগ এবং বিএস ১০০ ও ১০১ দাগে অবস্থিত।
গণপূর্ত বলছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকটি অসাধু চক্র জাল দলিল ও খতিয়ান তৈরির মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা দিয়ে ‘সরকারি’ এ বাড়ি বেদখলে রেখেছেন। সর্বশেষ হালিমা খাতুন গং ২০২২ সালে
বহুতল ভবন তৈরির চেষ্টা একটি পক্ষের
নকশা অনুমোদনে সিডিএতে আবেদন করা হয়েছে
গণপূর্তের অবহেলায় ‘সরকারি সম্পত্তি’ বেদখলের পথে
একটি মামলা (নম্বর ৪০৪/২০২২) দায়ের করেন। যা এখনো চলমান।
এর মধ্যেই নতুন আরেকটি পক্ষ বাড়িটির জায়গায় ১৫তলা বহুতল ভবন নির্মাণে সিডিএর কাছে নকশা অনুমোদনের জন্য তোড়জোড় শুরু করেছে। তবে বিষয়টি গণপূর্ত বিভাগের নজরে এলে চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর সিডিএকে লিখিতভাবে নকশা স্থগিত করার অনুরোধ জানানো হয়। এরই প্রেক্ষিতে ভবনের নকশা অনুমোদন কার্যক্রম স্থগিত করে সিডিএ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রা (সিডিএ) অথরাইজড অফি নেওয়াজ বলেন, জায়গাটি দি থাকায় এবং তা নিষ্পত্তি না কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে যে ওয়্যারলেস মোড় থেকে কি এগোতেই ‘সরকারি’ এই বাি চারদিকে দেয়ালঘেরা; সামনে ভেতরে তাঁবু টাঙিয়ে রাতের পুরাতন স্থাপনা ভাঙার প্রস্তুতি ভবনের ফাউন্ডেশন তৈরির জন পর্যন্ত করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ‘সরকারি’ দাবি করে আদালতে মামলা ক ছেলে ডা. তাওহীদ চৌধুরীর-কোটি টাকা মূল্যে জায়গাটি হোল্ডিংস নামে একটি প্রতি নির্মাণের জন্য কয়েক মাস ধরে