
ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা
ফজলুল হক-এর অনুজ মোঃ
মুজিবুল হক আর নেই
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহচর, স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ (নিউক্লিয়াস)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য এবং মুজিব বাহিনীর অন্যতম অগ্রনায়ক, চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের কীর্তিমান সংগঠক ও রাউজান থানা আওয়ামী লীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, রাউজানে সমবায় আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ,কে ফজলুল হক চেয়ারম্যান-এর অনুজ বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ মুজিবুল হক (৭০) আজ ১২ এপ্রিল, রবিবার, ভোর সাড়ে ৫ টায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে (পার্কভিউ) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। মৃত্যুকালে মরহুমের স্ত্রী, দুই পুত্র যথাক্রমে প্রকৌশলী শওকত জামান রাসেল ও পূবালী ব্যাংক কর্মকর্তা শওকত জালাল সোহেল , কন্যা নাহিদা পারভীন, নাতি-নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
উল্লেখ্য, মরহুম মুজিবুল হক ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অমর বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেনের বীর সহযোদ্ধা ও শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হকের ঋণ সালিশি বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, চট্টগ্রাম আদালতের জুরার, রাউজান থানায় শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালনকারী এবং রাউজান শিক্ষক সমিতির আমৃত্যু সভাপতি, উত্তর চট্টগ্রামের ‘শিক্ষকরবি’ খ্যাত আধ্যাত্মিক সাধক ও মুসলিম মনীষা হযরত আলহাজ্ব ওছমান আলী মাস্টার (রহ.) প্রকাশ-‘বড় মাস্টার’ এর চতুর্থ পুত্র। তিনি লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালির ছোটচাচা, কীর্তিমান ব্যাংক ব্যক্তিত্ব এসএম খোরশেদ আলম ও হাটহাজারী উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান এসএম রাশেদুল আলমের ছোট মামা এবং ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়ন বিএনপি’র (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) সভাপতি আলহাজ্ব এমদাদুল হক মরহুমের ছোটভাই।
আজ বাদে আছর ১১নং পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডস্থ স্থানীয় তকি সিকদার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। আন্তর্জাতিক ইসলামী বক্তা হযরত মৌলানা নিজাম উদ্দিন আলকাদেরী জানাজায় ইমামতি করেন।
এদিকে, মুজিবুল হক-এর মৃত্যুতে ভাষাসৈনিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ,কে ফজলুল হক গণপাঠাগার, আমরা করবো জয়, মরহুম তকি সিকদার সার্বজনীন মসজিদ ও কবরস্থান পরিচালনা কমিটি, উত্তর গুজরা ঈদগা ব্যবস্থাপনা কমিটিসহ বিভিন্ন সংগঠন-সংস্থার পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে।