1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
মাধবপুরে বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওষধি ফসল ‘চিয়া’ চাষের প্লট পরিদর্শন, মৌগাছি ইউনিয়ন রাজশাহী তানোরে ফসলের মাঠের দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বন্প ধানের শীষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং মেডিসিন্স স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। ✊  তানোর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বৈশাখী শুভযাত্রা ও নববর্ষ উদযাপন মোহনপুর উপজেলায় শাপলা গ্রাম উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ তানোরে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ইসলামের দৃষ্টিতে ‘পহেলা বৈশাখ ও পান্তা-ইলিশ বাংলা নববর্ষের ১৪৩৩ উপলক্ষে কালীগঞ্জবাসীকেশুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটি এম কামরুল ইসলাম

বান্দরবানে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, বন বিভাগের এক ফরেস্টারকে ঘিরে আলোচনা

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৫১ বার পড়া হয়েছে

বান্দরবানে অবৈধ কাঠ ব্যবসায়ীদের থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ, বন বিভাগের এক ফরেস্টারকে ঘিরে আলোচনা

হাফিজুর রহমান খান, স্টাফ রিপোর্টার।।

বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় অবৈধ করাতকল ও কাঠ ব্যবসা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে বন বিভাগের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তি মো. জহিরুল আলম, যিনি বর্তমানে বান্দরবানের পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগের স্পেশাল টিমের ওসির দায়িত্বে রয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মো. জহিরুল আলম এক বছর আগে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে বিপুল পরিমাণ সরকারি গাছ বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বান্দরবানের বালাঘাটা এলাকায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বালাঘাটা এলাকায় অন্তত ৬টি অবৈধ করাতকল রয়েছে। এসব করাতকল থেকে প্রতি মাসে প্রতিটি কল থেকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ৩ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে চোরাই পথে আনা কাঠ থেকেও আলাদা হারে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেগুন কাঠ থেকে প্রতি ঘনফুটে ১০০ টাকা এবং গামারীসহ অন্যান্য কাঠ থেকে প্রতি ঘনফুটে ৫০ টাকা করে চাঁদা নেওয়া হয়। এতে করে শুধু বালাঘাটা এলাকা থেকেই মাসে প্রায় অর্ধকোটি টাকা আদায় হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, পাল্পউড প্লান্টেশন বিভাগের দখলদারিত্ব ও প্রভাব খাটিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে তিনি তাদের কাছে ‘মানিক’ নামে পরিচিত বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. জহিরুল আলমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com