1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
উখিয়ায় বেশি দামে গ্যাস বিক্রি: দুই প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা রাত্রিকালে অভিযানে মোবাইল চোর চক্রের সদস্য গ্রেফতার, মোবাইল উদ্ধার বরিশাল জেলা জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাসের উদ্যোগে বিজয়নগর থানা পুলিশের অভিযানে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার, ১ মাদক কারবারী গ্রেফতার। 🔴 নিখোঁজ সংবাদ / সাহায্যের আবেদন 🔴 লামায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার তানোরে আনসার প্লাটুন কমান্ডার এর নিজস্ব অর্থায়নে অসহায় প্রতিবন্ধীদের মাঋে শীতবস্ত্র বিতরণ উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক উপজেলা কর্মচারী ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন চকরিয়ায় মোটর চুরি নিয়ে সংঘর্ষ: এক ব্যক্তির বৃদ্ধাঙ্গুলি বিচ্ছিন্ন, সাবেক চেয়ারম্যান আটক

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কারাগারে ডেঙ্গু, জানা নেই কারো!

মোঃ জামশেদুল ইসলাম
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৮৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার কারাগারে ডেঙ্গু, জানা নেই কারো!

মোঃ জামশেদুল ইসলাম

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে কাতর কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদি সাহেব আলী। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। কারাগারের ভেতরে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে চারদিনেও কানে আসেনি কারা কর্তৃপক্ষের! এমনকি স্বাস্থ্য বিভাগ, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কানেও পৌঁছেনি! অথচ ডেঙ্গু মশা ‘বাগে’ আনতে না পারলে কারাগারের অবস্থা হবে ভয়াবহ। কারা কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু ঠেকাতে নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি ডেঙ্গু পরীক্ষার কথা জানালেও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার কোনো নড়চড় নেই। তৎপরতা নেই স্বাস্থ্য বিভাগেরও। কারা সূত্রে জানা গেছে, যৌতুকের টাকার জন্য গৃহবধূকে আগুনে পুড়িয়ে মারার মামলায় যাবজ্জীবন সাজা হয় সাহেব আলীর। গত বছরের মার্চে আদালত তাকে যাবজ্জীবনের সাজা দেয়। ২০১২ সালে গ্রেপ্তারের পর চট্টগ্রাম কারাগারে বন্দি আছেন এই কয়েদি। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। তিনি ছাড়া অন্য কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন কিনা জানা নেই কারা কর্তৃপক্ষের।এছাড়া কারাগারে বন্দিদের অনেকে জ্বর কাশিতে আক্রান্ত। কেউ কেউ কয়েকদিন ভোগার পর এমনিতেই সুস্থ হচ্ছেন। হাসপাতাল পর্যন্ত না যাওয়ায় তারা ডেঙ্গু পরীক্ষার আওতায় আসছেন না। আর যাদের শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়, তাদের হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর কারা হাসপাতাল প্রয়োজনে চমেক হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, চলতি ডেঙ্গু মৌসুমে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া কারাগারের প্রথম রোগী কয়েদি সাহেব আলী। জানতে চাইলে চমেক হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল তসলিম উদ্দিন খান বলেন, ‘নানান সমস্যা নিয়ে কারাগারের আরও রোগী ভর্তি আছেন হাসপাতালে। তবে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত প্রথম রোগী তিনি। যতটুকু জানি এখন তার শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকে আছে। ডেঙ্গু আক্রান্ত কারাগারের আর কোনো রোগী আমরা পাই নাই।’  এদিকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় কারাগারে সিভিল সার্জন কার্যালয় কিংবা চসিকের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপই নেওয়া হয়নি। এর আগে ২০১৯ সালের জুলাইতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে চট্টগ্রাম কারাগারে বিশেষ কার্যক্রম চালাতে তৎকালীন চসিক মেয়রকে চিঠি দেন তৎকালীন সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। কারাগারে বিপুল সংখ্যক কয়েদি ও হাজতির উপস্থিতির বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সিটি মেয়রকে ওই চিঠি দেওয়া হয়। এরপরই কারাগারে ক্রাশ প্রোগাম চালায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এবং সেটিই ছিল কারাগারে চসিকের সর্বশেষ মশক নিধন কার্যক্রম।  জানতে চাইলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘এই তথ্যটা জানা নেই। এখনই জানলাম। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কিনা সেই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।একই বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাছেও এমন কোনো তথ্য নেই। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় তা কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগোযোগ করেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।২৩ সেপ্টেম্বর সরেজমিন চমেকের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের বিছানায় বসে আছেন সাহেব আলী। হাসপাতালের ভর্তি কাগজপত্রে তার বয়স ৬০ লেখা থাকলেও দেখে মনে হবে সত্তোরোর্ধ্ব। ডেঙ্গু ছাড়াও যক্ষাসহ নানান শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত তিনি। কানে শুনতে পান না। এমনকি চোখেও ভালোমতো দেখতে পান না বলেও জানান সাহেব আলীর নিরাপত্তায় দায়িত্বরত কারারক্ষী।এ বিষয়ে কারারক্ষী তানজিমুল ইসলাম বলেন, ‘উনি চোখে তেমন দেখেন না। কানেও শুনেন না। বয়সও হইছে অনেক। আমরা তো উনাকে নিরাপত্তা দিচ্ছি। কিন্তু পরিবারের কেউ থাকলে ভালো হইতো। পরিবারের কারও মোবাইল নম্বর পাচ্ছি না। বিষয়টা কারা কর্তৃপক্ষকে জানাবো।’  এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ মঞ্জুর হোসেনকে ফোন করেও সাড়া মেলেনি। পরে জেলার মো. মাসুদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ছুটিতে আছেন বলে জানান।  পরবর্তীতে ডেপুটি জেলার ইব্রাহীম রাজুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সমযের কাগজেকে বলেন, ‘এটা আমার জানা নেই। আমরা তো সার্বক্ষণিক মনিটরিংয়ে রাখি। কিন্তু এটা জানতে হবে। আসলেই জানি না।রোগীর নাম জানালে তিনি বলেন, ‘তার ডেঙ্গু হইছে? কখন ভর্তি হইছে? তার তো অন্য সমস্যা ছিল। এটা মেডিকেল সাইট তো তাই জানি না আমি। আর কেউ ডেঙ্গু আক্রান্ত আছে কিনা তাও জানি না।’  এক প্রশ্নের জবাবে এই কারা কর্মকর্তা বলেন, ‘রেগুলার পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। আমাদের যতটুকু সম্ভব হচ্ছে মশার স্প্রে করা হচ্ছে। রেগুলারই রোগীদের টেস্ট করা হচ্ছে। যাদের অবস্থা সিরিয়াস হয় তাদেরকে বাইরে (চমেকে) পাঠাই। খুব সিরিয়াস কেস কিন্তু পাইনি। তবে যাদেরই জ্বর দেখা যাচ্ছে তাদেরই ডেঙ্গু টেস্ট করা হচ্ছে। আমাদের হাসপাতালেই তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

উখিয়ায় ৮ এপিবিএনের অভিযানে ৯০০ পিস ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক জাহাঙ্গীর আলম-উখিয়া কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কোর্টবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৯০০ পিস ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (৮ এপিবিএন)। রোববার (১১ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৫৫ মিনিটে টেকনাফ–কক্সবাজার মহাসড়কের কোর্টবাজার আলিমুড়া এলাকায় অবস্থিত ৮ এপিবিএনের অস্থায়ী কার্যালয়ের সামনে স্থাপিত চেকপোস্টে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ৮ এপিবিএন সূত্র জানায়, এসআই (নি:) মোঃ নুর নবীর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স নিয়মিত চেকপোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার সময় সন্দেহজনক চলাফেরার কারণে এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করা হয়। পরে আশপাশ থেকে আগত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাকে তল্লাশি করা হলে তার হাতে থাকা একটি শপিং ব্যাগের ভেতরে কালো রঙের পলিথিন থেকে ১৮টি লকযুক্ত এয়ারটাইট সাদা পলি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটের ভেতর থেকে মোট ৯০০ পিস অ্যামফিটামিন জাতীয় ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেট পাওয়া যায়। আটক যুবকের নাম মোঃ আবদুল্লাহ প্রঃ মোঃ ওসমান (১৯)। তিনি বালুখালী-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৯ নম্বর ক্যাম্পের ডি/১ ব্লকের বাসিন্দা। তার এফসিএন নম্বর ১১০১৫৬। তার পিতার নাম মৃত ইলিয়াস এবং মাতার নাম হালিমা খাতুন বেগম। উদ্ধারকৃত ইয়াবা সদৃশ ট্যাবলেটগুলো বিধি মোতাবেক জব্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে আটক আসামি ও জব্দকৃত আলামত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ বিষয়ে ৮ এপিবিএনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মাদক পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

© www.dainikonlinetalaashporbo21.com