1. live@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : news online : news online
  2. info@www.dainikonlinetalaashporbo21.com : দৈনিক অনলাইন তালাশ পর্ব ২১ :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
পা হারানোর শঙ্কায় ১৭ বছরের ছাত্র কিশোর ছাহিম: চিকিৎসার খরচ জোগাতে নিঃস্ব পরিবার প্রয়োজন মানবিক সহায়তা (চসিক) মেয়র এবং (এমএসএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। দুবাইয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা প্রকৌশলী আবু জাফর চৌধুরীর ইন্তেকাল হযরত খাজা গরীব উল্লাহ শাহ্ (রঃ) মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন মাধবপুরে বৃত্তি পরীক্ষা কেন্দ্রে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওষধি ফসল ‘চিয়া’ চাষের প্লট পরিদর্শন, মৌগাছি ইউনিয়ন রাজশাহী তানোরে ফসলের মাঠের দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বন্প ধানের শীষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এবং মেডিসিন্স স্যান্স ফ্রন্টিয়ার্স (এমএসএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে। ✊  তানোর পৌরসভা দাখিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও নবীন বরণ-২০২৬ অনুষ্ঠিত বৈশাখী শুভযাত্রা ও নববর্ষ উদযাপন মোহনপুর উপজেলায়

চট্টগ্রাম ১৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়া   বাবার হাতে সন্তান খুন

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিতি
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ১৯নং ওয়ার্ড দক্ষিণ বাকলিয়া

বাবার হাতে সন্তান খুন

আবদুল কাদের চট্টগ্রাম প্রতিনিতি

 

খুন হলো ছোট্ট সামির। কি ভয়ংকর…লিখতে গিয়ে পুরো শরীর কাঁপছে।

 

মাকে এলোপাতাড়ি মারছিলেন বাবা, সঙ্গে যোগ দেন দাদা-দাদিও। মায়ের কান্না দেখে দুই বছরের শিশু আশরাফ বিন সামির ছুটে এসে তাকে জড়িয়ে ধরে, কোলে উঠতে চায়।

 

কিন্তু এতে নিষ্ঠুরতা যেন আরও বাড়িয়ে দেয় বাবা মো. সজিব। মায়ের কাছ থেকে টেনে নিয়ে নিজের সন্তানকেই চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন বাবা। মা বাধা দিলে তিনি আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

 

একপর্যায়ে শিশুটিকে খাটের পাশের দেয়ালে ছুঁড়ে মারে পাষণ্ড বাবা। গুরুতর আঘাতে প্রথমে খাটে, তারপর মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সামির। একরত্তি শরীরটা এই আঘাত সহ্য করতে পারেনি-খিঁচুনি শুরু হয়, কাঁপতে থাকে।

 

দিশেহারা মা বারবার অনুরোধ করেন শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য। কিন্তু চিকিৎসার ব্যবস্থা করার বদলে, স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি মিলে তাকেই মারধর করে অজ্ঞান করে ফেলেন।

 

একদিকে অজ্ঞান মা, অন্যদিকে নিস্তেজ হয়ে আসা শিশুটি-এক সময় নিভে যায় সেই ছোট্ট প্রাণ।

 

এরপর ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শিশুটিকে গোপনে কবর দেওয়া হয়। বাইরে ছড়িয়ে দেওয়া হয়-অসুস্থ হয়ে সন্তান মারা গেছে, সেই শোকে মা অজ্ঞান হয়ে পড়েছেন।

 

মায়ের মন কি আর মানে। জ্ঞান ফেরার পর সন্তানকে না পেয়ে তিনি বাকলিয়া থানায় গিয়ে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে মামলা করেন।

 

মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এই শহরেই-দক্ষিণ বাকলিয়ার বউ বাজার এলাকায়।

 

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)

Mohammad Solaiman ভাইয়া ও তার টিমের তৎপরতায় ঘাতক বাবা মো. সজিব ও দাদি নুর নাহার বেগম গ্রেপ্তার হয়েছে।

 

আশা করছি-আদালত এ ঘটনার সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করবে। ঘাতক বাবাকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলাবে?

 

আল্লাহ, যারা সন্তানের মর্ম বোঝে না-

তাদের বাবা-মা হওয়ার অধিকার দিও না।

 

👉ছবি-ঘাতক বাবা মো. সজিব ও তার মা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© www.dainikonlinetalaashporbo21.com